ডেস্ক রিপোর্ট
৭ জানুয়ারি ২০২২, ৮:২২ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক:: আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (NDF) এর ৪র্থ জেলা সম্মেলনসফল করার লক্ষ্যে জাতীয় ছাত্রদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত।
জাতীয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে সম্মেলন সফল করা এবং সার্বিক দিকনির্দেশনা মূলক এক এক আলোচনা সভা গতকাল ৬ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬ ঘটিকার সময় জেলা কার্যালয়ে জাতীয় ছাত্রদল শাবিপ্রবি শাখার সভাপতি রুপেল চাকমার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক উসমান গণির পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পর্যবেক্ষক এবং অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহীন আলম।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ; জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটু, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ ছাদেক মিয়া, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক নাজমুল হোসেন, অন্যতম সদস্য, শুভ আজাদ শান্ত, বদরুল আজাদ, জাতীয় ছাত্রদল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক সিবু হাজং, পাঠচক্র সম্পাদক মোঃ ওয়াসিম, সিলেট জেলা প্রেস শ্রমিক সংঘ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সরকার সহ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন ; দীর্ঘ ধারাবাহিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এ দেশের ছাত্র সমাজ তাদের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট থেকেছে। পূর্বের ধারাবাহিকতায় এ আন্দোলন আজও প্রাসঙ্গিক। ব্রিটিশ পর্ব থেকে পাকিস্তান হয়ে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলেও শাসক গোষ্ঠীর মূল চরিত্রের কোনরূপ পরিবর্তন হয়নি। তাই শিক্ষা সম্পর্কে সকল শাসকেরই দৃষ্টিভঙ্গি এক ও অভিন্ন। বাংলাদেশে নানা রূপে ক্ষমতাসীন সকল সরকারই শিক্ষাকে বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ ও সংকোচন নীতি বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখে চলেছে। ১৯৭১ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ক্ষমতাসীন সকল সরকারই সাম্রাজ্যবাদের দালাল হওয়ায় বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফসহ সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বসংস্থাসমূহের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছে।
সাম্রাজ্যবাদের দালাল বাংলাদেশি রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন নির্বাচন খেলার মাধ্যমে শাসন ক্ষমতায় যাওয়া ও টিকে থাকার লড়াইয়ে ব্যাস্ত। এ জন্য সাম্রাজ্যবাদী মদদে দেশে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে রেখেছে এ দলগুলো । তাদের এই কামড়া কামড়িতে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহতা নেমে এলেও কোন রাজনৈতিক দলই জনগণের স্বার্থ নিয়ে কোনো ধরনের কথা বলছে না। এ পরিস্থিতিতে জনগণের মৌলিক দাবিগুলো প্রতিষ্ঠা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্দোলন সংগ্রামের কোন বিকল্প নেই।