ডেস্ক রিপোর্ট

২৪ জুন ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঢাকায় গ্রেপ্তার ৪৪, সারাদেশে শতাধিক

আপডেট টাইম : জুন ২৪, ২০২৬ ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক: কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে নাশকতার শঙ্কায় সরকার ছয় জেলায় সেনাবাহিনী ও পাঁচ জেলায় বিজিবি মোতায়েনসহ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছিল। কর্মসূচি ঘিরে গতকাল মঙ্গলবার দিনভর ঢাকাসহ সারাদেশে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি থাকলেও বড় কোনো সহিংসতা হয়নি। গত দুদিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৪৪ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সারাদেশে এই আটকের সংখ্যা শতাধিক।

রাজধানীতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে সেভাবে মাঠে দেখা যায়নি। তবে দেশের কয়েকটি জেলা থেকে মিছিলের খবর পাওয়া গেছে। আর আওয়ামী লীগের তৎপরতা ঠেকাতে সারাদেশে তৎপর ছিল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন দল ও সংগঠন।

রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে জামায়াতের কর্মসূচি থেকে হামলা চালিয়ে চার সাংবাদিককে আহত করা হয়েছে। পরে এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে তদন্ত ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে দলটি। সাংবাদিকরাও এ ঘটনায় বিচার দাবি করেছেন।

রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান
গতকাল ঢাকা মহানগরজুড়ে পুলিশ-র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কঠোর অবস্থান দেখা যায়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ১৮ হাজারের বেশি সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে ডিএমপির পক্ষে নাশকতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করতে দেখা যায়।

গতকাল সকাল থেকে গুলিস্তানে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনের সড়কের দুপাশে ব্যারিকেড দিয়ে অবস্থান নেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। একই অবস্থা দেখা গেছে ধানমন্ডি ৩/এ সড়কের আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয় ও তেজগাঁও দলীয় কার্যালয়ের সামনেও। র‍্যাব-পুলিশকে বিভিন্ন জায়গায় চেকপোস্ট বসিয়ে ব্যক্তি কিংবা যানবাহনে তল্লাশিসহ টহল দিতে দেখা যায়। সকাল থেকে রাস্তায় গণপরিবহন কিছুটা কম দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সংখ্যা বাড়ে।

নাশকতার শঙ্কায় পুলিশ সোম ও মঙ্গলবার দুদিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের ৪৪ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে নিরাপত্তার কড়াকড়ির মধ্যে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করায় সাখাওয়াত হোসেন নামে একজনকে আটক করে পুলিশ।

ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি দল (আওয়ামী লীগ) তাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মিছিল, সমাবেশ বা জমায়েত করে সরকারকে বিব্রত ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করার পরিকল্পনা করেছিল। তাদের এই পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে।

তবে গতকাল রাত পৌনে ৯টার দিকে দারুস সালাম এলাকার টেকনিক্যাল মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) দারুস সালাম অঞ্চলের সহকারী কমিশনার মো. ইমদাদ বলেন, ধারণা করা হচ্ছে চলন্ত বাস থেকে ককটেলটি ছুড়ে মারা হয়। তবে এতে কেউ আহত হননি। জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।

সরব বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি
গতকাল সকাল থেকে মাঠে সরব ছিলেন বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদল এবং জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এনসিপির নেতাকর্মীরাও আওয়ামী লীগবিরোধী মিছিল-সমাবেশ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, প্রেস ক্লাব, শাহবাগ, ফার্মগেট, ধানমন্ডি, শেওড়াপাড়া, মিরপুরসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি, বিক্ষোভ মিছিল, মোটরসাইকেল শোডাউনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছেন এসব দল ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

নয়াপল্টনের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো প্রতিবাদ মিছিল করে। পরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশে ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থানের সুযোগ নেই। জনগণ ও গণতান্ত্রিক শক্তি ঐক্যবদ্ধ আছে।

জামায়াতের মিছিল শেষে হামলা, আহত ৪ সাংবাদিক
গতকাল সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ চলাকালে হামলা চালিয়ে অন্তত চার সাংবাদিককে আহত করা হয়। গুরুতর আহত দৈনিক সকালের স্টাফ রিপোর্টার মাহফুজুর রহমান শিশিরকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অন্য আহতরা হলেন– দৈনিক কালবেলার সংবাদকর্মী আব্দুর রহমান ইশান, দ্য নিউজের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মারুফ হোসেন ও যমুনা টিভির রিপোর্টার রাব্বী সিদ্দিকী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ধানমন্ডি জোন আয়োজিত মিছিল শেষে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের সামনের সড়কে সমাবেশ চলছিল। এ সময় শুধু দায়িত্বশীল নেতাদের বক্তব্য দেওয়ার জন্য একজন সাংবাদিক অনুরোধ জানালে ক্ষুব্ধ হন দলটির নেতারা। এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়। এ সংক্রান্ত ভিডিওতে জামায়াত নেতা মুস্তাফিজুর রহমান, মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন, আনিসুজ্জামান, জাহিনুর রহমানসহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের হামলায় অংশ নিতে দেখা যায়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম সমকালকে বলেন, সেখানে বাগ্‌বিতণ্ডা হয় এবং তখনই সেটা নিষ্পত্তি হয়ে যায় বলে শুনেছি।

সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি দায়ী নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জামায়াত। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের গতকাল এক বিবৃতিতে এ কথা জানান। এ ঘটনায় কারা জড়িত এবং কীভাবে এই ভুল বোঝাবুঝির সূত্রপাত, তা খতিয়ে দেখতে দলের পক্ষ থেকে অভ্যন্তরীণ তদন্ত করে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানায় জামায়াত।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ছাত্রদল। সংগঠনটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এক বিবৃতিতে এই হামলাকে বর্বরোচিত, গণতন্ত্রবিরোধী ও স্বাধীনতাবিরোধী মৌলবাদী অপশক্তির কাজ বলে অভিহিত করেছেন। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) এক বিবৃতিতে একাধিক গণমাধ্যমকর্মীর ওপর সংঘটিত এই হামলা, হেনস্তা ও লাঞ্ছনার ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে।

জামায়াতের কর্মসূচি চলাকালে সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআরএ)। গতকাল বিকেলে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এ ঘোষণা দেন সংগঠনের সভাপতি ফখরুল ইসলাম।

সারাদেশে ঝটিকা মিছিল, ভাঙচুর
গোপালগঞ্জে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির শঙ্কা থাকলেও জেলা প্রশাসন ও পুলিশের কঠোর নজরদারিতে জনজীবন স্বাভাবিক ছিল। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত ছিল। এরই মধ্যে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের দীঘারকুল গ্রামের একটি গ্রামীণ সড়কে পৌর ছাত্রলীগের ব্যানারে সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ওমর ফারুক রিপনের নেতৃত্বে ৩০-৪০ জন সংক্ষিপ্ত মিছিল ও কেক কাটার আয়োজন করে। গতকাল দুপুরের এই কর্মসূচির ২ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ জানান, জেলা থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনটির সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নাশকতার আশঙ্কায় নারায়ণগঞ্জের প্রবেশপথসহ সাইনবোর্ড, শিমরাইল মোড়, ফতুল্লা, সৈয়দপুর, সোনারগাঁ, কাঁচপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ ১০ স্থানে পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট বসানো হয়। পাশাপাশি বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা টহল দেন।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার সাতটি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও নগরকান্দার সীমান্তবর্তী শুয়াদি এলাকায় গতকাল বেলা ১১টার দিকে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী ঝটিকা মিছিল বের করেন। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে দুজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

বিকেলে ভাঙ্গার আলগী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী আরেকটি ঝটিকা মিছিল বের করেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ধাওয়া দিয়ে মিছিলে অংশ নেওয়া তিনজনকে আটক করে মারধর করেন এবং পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। এ ছাড়া ফরিদপুরের নগরকান্দা-ভাঙ্গা সীমান্তে ঝটিকা মিছিল করার অভিযোগে দুই আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে বিএনপি।

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে যুবলীগ নেতা রুহুল আমিন শাকিল, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আল আমিনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সাতক্ষীরার শ্যামনগরের পদ্মপুকুর ইউনিয়নের পিজিপি কেজি স্কুল মাঠে কেক কেটে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ সজিব ও বিল্লাল নামে দুই কর্মীকে আটক করেছে।

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় তেলিখালী ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া রাঙামাটিতে দুদিনের বিশেষ অভিযানে যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের নেতাসহ ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করে গতকাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শরীয়তপুরের গোসাইরহাটের নলমুড়ি ইউনিয়নের হাটুরিয়া বাজারে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে মধ্যরাতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার রাতে ওই কার্যালয়ে দুর্বৃত্তরা ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই ঘটনায় আওয়ামী লীগ জড়িত দাবি করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে উপজেলা বিএনপি।

বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের মিছিল
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশজুড়ে অপপ্রচার ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। গোপালগঞ্জ, মুকসুদপুর ও কোটালীপাড়ায় ফ্যাসিবাদবিরোধী মিছিল এবং নারায়ণগঞ্জে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ ছাড়া পাবনার ঈশ্বরদীতে দলটির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বিবদমান দুই পক্ষ পৃথকভাবে সতর্ক অবস্থান ও বিক্ষোভ করেছে। কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে উপজেলা বিএনপির সমাবেশ থেকে যুবদল নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দোসররা রাস্তায় নামলে পিঠের চামড়া থাকবে না।

সাতক্ষীরায় জেলা ও পৌর যুবদলের যৌথ উদ্যোগে বিশাল প্রতিবাদ মিছিল হয়েছে, যেখানে নেতারা নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার যে কোনো অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্র রাজপথে রুখে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ছয়টি ইউনিয়নে একযোগে পথসভা এবং মেহেরপুর, লক্ষ্মীপুর ও রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। এ ছাড়া যশোরে জেলা যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল শেষে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে সকাল-সন্ধ্যা সতর্ক পাহারায় থাকার ঘোষণা দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন