ডেস্ক রিপোর্ট

২৪ মে ২০২১, ১০:১৮ অপরাহ্ণ

দূর্নীতি করেও অদৃশ্য শক্তির সহযোগিতায় পার পাচ্ছেন চেয়ারম্যান এরশাদ

আপডেট টাইম : মে ২৪, ২০২১ ১০:১৮ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:: হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ৬নং কাগাপাশা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এরশাদ আলীর বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের টাকা এবং পরে একই রাস্তার নামে চারবার বরাদ্দ নিয়ে ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগের পর এবার ভূমিহীনদের ঘর নির্মাণস্থানে মাটি ভরাটের নাম করে নতুন পন্থায় প্রত্যেক ভূমিহীন পরিবারের কাছ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা করে উৎকোচ গ্রহন করার অভিযোগ উঠেছে ।

সম্প্রতি ভূমিহীনদের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহনের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন স্থানীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে নিজেকে বাঁচাতে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন ওই ইউপি চেয়ারম্যান।পূর্বে ওই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারী বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের মতো দূর্নীতির সংবাদ জাতীয় দৈনিক যুগান্তরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিলো।

স্থানীয়রা জানান,ইতিপূর্বে ৬নং ইউপির বাগহাতা গ্রামের একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্রয়ের জন্য সরকারী বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাৎ এবং পার্শ্ববর্তী গ্রামে এক রাস্তার নাম পাল্টে চার বার বরাদ্দ নিয়ে ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছিলো ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদ আলীর বিরুদ্ধে।ওই দুই দূর্নীতির অভিযোগকারী ছিলো জলমগ্ন জমিতে মৃত ভেসে ওঠা ৬নং ইউনিয়ন ছাত্রলীগের প্রতিবাদী নেতা আব্দু রউফ।তার মৃত্যুর পর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দায়ের করা টাকা আত্মসাতের অভিযোগগুলোর কি অবস্থা কেউ জানেনা।তবে এলাকাবাসীর দাবী অদৃশ্য শক্তির সহযোগিতায় বার বার দূর্নীতি করে পার পেয়ে যাচ্ছেন ওই ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদ।

ভূমিহীনদের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহনের বিষয়টি সম্পর্কে জানতে ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সেকান্দরপুর ও গোগ্রাপুর গ্রামবাসীর সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়,মাটি ভরাটের নামে উৎকোচ নেয়ার ঘটনা সত্য।তবে এবার নতুন পন্থায় ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদ আলী পিংকু দাস নামে ব্যাক্তির মাধ্যমে ভূমিহীনদের ঘর নির্মাণ করার জমিতে মাটি ভরাটের নামে প্রত্যেক পরিবারের কাছ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা করে উৎকোচ গ্রহন করেছেন।তাদের প্রশ্ন অন্যান্য ইউনিয়নে সরকার নিজ অর্থায়নে মাটি ভরাট করে ভূমিহীনদের গৃহ নির্মাণ করে দিচ্ছেন,সেখানে আমাদের বেলায় কেনো মোটা অংকের টাকা নেয়া হলো।

উৎকোচের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদ আলী বলেন,আমার সঙ্গে এবিষয়ে কারো কোন প্রকার টাকা লেনদেন হয়নি।যা শুনেছেন পুরোটাই মিথ্যা।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন,লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। খবর পেয়ে বিষয়টি তদন্ত করা হয়।তবে উৎকোচ নেয়ার বিষয়ে কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন