ডেস্ক রিপোর্ট

১৯ মে ২০২২, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ

সিলেট নগরীর প্লাবিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য সরবরাহের দাবি

আপডেট টাইম : মে ১৯, ২০২২ ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ

শেয়ার করুন

সিলেট প্রতিনিধি:: গত কয়েকদিন একনাগাড়ে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সুরমা নদী উপচে ইতিমধ্যে নগরীর উপশহর, চালিবন্দর,তোপখানা, কালীঘাট, ছড়ারপাড়, মেন্দিবাগ, তালতলা, তেররতন, জামতলা, মনিপুরী রাজবাড়ী সহ ২৫ টি এলাকা প্লাবিত হয়ে মানুষজন পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাটের পাশাপাশি বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় জনদূর্ভোগ বেড়েছে। প্লাবিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট তৈরি হয়েছে, দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষ খাদ্য সংকটে পড়েছে। সরকারি উদ্যোগের কথা জেলা প্রশাসন বারবার উল্লেখ করলেও বাস্তব চিত্র তা নয়।মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে। প্লাবিত এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানি, পানি বিশুদ্ধ করণ ট্যাবলেট ও দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষকে পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ করার জোর দাবি জানান বাসদ (মার্কসবাদী) সিলেট জেলা শাখার আহবায়ক কমরেড উজ্জ্বল রায়।

এছাড়া জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট,কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাকে বন্যাদূর্গত এলাকা ঘোষণারও দাবি জানান।

এ বছর কয়েকদফা বন্যায় এসকল উপজেলার ফসল নষ্ট হয়েছে, রাস্তাঘাট চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে। মানুষজন পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তিনি প্রশাসনের প্রতি এসব এলাকায় পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ করার দাবি জানান।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় নগরীর জলাবদ্ধতার জন্য দায়ী অপরিকল্পিত নগরায়ন নগরীর মাছু দীঘি, রামের দীঘি, লাল দীঘি, ধোপা দীঘি সহ অনেক বড় দীঘি ভরাট করে অট্টালিকা বানানো হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন পাড়ায় ছোট বড় পুকুর ভরাট করা হয়েছে। হাওর ভরাট করে গড়ে তোলা হয়েছে ক্যান্টনমেন্ট,ছড়াগুলো দখল হয়েছে ফলে বৃষ্টির পানি ধারণ করার প্রাকৃতিক আয়োজন ধ্বংসের কারণে আজকের এই পরিস্থিতি। তাছাড়া নগরীর পানি নিষ্কাশিত হয়ে সুরমা নদীতে পড়ে। অথচ দীর্ঘ বছর যাবৎ সুরমা ভরাট হয়ে যাওয়ায় নদী পানি ধারণ করতে পারছে না।

তিনি দ্রুত তম সময়ে সুরমা নদী খনন করা,ছড়াগুলো দখল মুক্ত করা,যে সকল পুকুর এখনও রয়েছে সেগুলোকে যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের জোর দাবি জানান। তিনি এ ব্যাপারে সিলেটের সকল সচেতন বিবেকবান মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

শেয়ার করুন