ডেস্ক রিপোর্ট

২২ নভেম্বর ২০২১, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ

গণপরিবহনে জ্বালানি ব্যবহারের পরিমাণ জানতে চায় সংসদীয় কমিটি

আপডেট টাইম : নভেম্বর ২২, ২০২১ ১১:৩৪ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক :: গণপরিবহনে কোন জ্বালানি কী পরিমাণে ব্যবহার হচ্ছে তা জানতে চেয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। এ সংক্রান্ত প্রকৃত তথ্য উপাত্ত জানতে মন্ত্রণালয়কে একটি জরিপ করতে বলেছে কমিটি।

সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংসদীয় কমিটি ২০২৩ সালের মধ্যে সংস্থাগুলোর নিজস্ব অর্থায়নে গ্যাসের মানসম্মত প্রিপেইড মিটার স্থাপন কার্যক্রম দৃশ্যমান পর্যায়ে নিয়ে আসার সুপারিশ করে।

কমিটির সভাপতি ওয়াসিকা আয়শা খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটি সদস্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, নুরুল ইসলাম তালুকদার, আসলাম হোসেন, খালেদা খানম এবং নার্গিস রহমান অংশ নেন।

সূত্র জানায়, বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে না থাকলেও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনা হয়। এতে কমিটির একজন সদস্য বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পরিবহন ব্যবসায়ী ও শ্রমিকেরা যাত্রীদের জিম্মি করে ভাড়া নিয়ে তাদের দাবি আদায় করেন। ডিজেলের দাম বাড়ানোর পর অনেক ক্ষেত্রে সিএনজিচালিত বাসের ভাড়াও বেশি নেওয়া হচ্ছে। কতটি গণপরিবহন সিএনজিতে চলে, কতটি ডিজেলে চলে বা অন্যান্য যানবাহন কতটি পেট্রোলে, অকটেনে চলে তার সঠিক একটি পরিসংখ্যান থাকা উচিত।

জবাবে একজন কর্মকর্তা বলেন, বিআরটিএর কাছে এ সংক্রান্ত পরিসংখ্যান থাকে। গাড়ির নিবন্ধনের সময় এটি উল্লেখ করতে হয়। তবে অনেকে পরবর্তী সময়ে গাড়ি রূপান্তরিত করে সিএনজিতে চালান, কিন্তু সে তথ্য জানানো হয় না।

এই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সংসদীয় কমিটি গণপরিবহনে কোন জ্বালানি কী পরিমাণে ব্যবহৃত হয়, তার একটি সঠিক হিসাব বের করতে জরিপ চালানোর সুপারিশ করে।

সূত্র জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন জানায়- দেশের চাহিদা পূরণের জন্য তারা সৌদি আরবের সৌদি অ্যারাবিয়ান অয়েল কোম্পানি, আবুধাবির আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি থেকে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করছে। এ ছাড়া, পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির লক্ষ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মালয়েশিয়া রাষ্ট্রয়াত্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি আছে। কুয়েত থেকে ২০০৩ সাল থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করা হলেও কুয়েত ২০২০ ও ২০২১ সালে তেল সরবরাহ করা থেকে বিরত আছে। ২০২২ সালে তারা আবার তেল সরবরাহ শুরু করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এছাড়া, বিভিন্ন বন্ধুপ্রতীম দেশ থেকেও বাংলাদেশ তেল আমদানি করেছ।

 

শেয়ার করুন