ডেস্ক রিপোর্ট
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
মো. নজরুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি :: ”দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি নিয়ন্ত্রন কর,বাজার মনিটরিং নিয়মিত কর,মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ব রুখো,টিসিবিকে শক্তিশালী কর” এমন দাবি সাধা জাতীয় ভোক্ত অধিকার দিবসে এমন হরিরামপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে গত ২৮ সেপ্টেম্বর-২১ উপজেলা পর্যায়ে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অবহিতকরণ ও বাস্তবায়ন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন হরিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান, বিশেষ অতিথি হরিরামপুর থানা ইনচার্জ সৈয়দ মিজানুর রহমানসহ আরো আলোচনায় অংশগ্রহন করেন হরিরামপুরের মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ ঈমাম বাবু, উপজেলা তথ্য সেবা কর্মকর্তা সরলা আক্তার ও বারসিক প্রোগ্রাম অফিসার সত্যরঞ্জন সাহা। সভায় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ।
প্রধান অতিথি হরিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান বলেন, ভোক্তারা আমাদের সবাইকে কোননা কোন সময় হতে হয়। আমরা সকলে সচেতন থাকলে ভোক্তা হিসাবে আমরা জিততে পারব। অসচেতনতা আপনি বিপদে পড়তে পারেন। যেমন কোন ঔষধ বা খাবার পণ্য কিনলে উৎপাদিত ও অতিক্রান্ত তারিখ দেখে কেনা উচিত। না হলে আপনি খেয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়তে পারেন। তবে কোন কোম্পানি নিদিষ্ট পণ্যের ওজন কম দিলে, তার জন্য আপনি ভোক্তা অধিকার আইনে কেইস দিতে পারেন। ভোক্তাদের অধিকার আইন ২০০৯ উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে। বিশেষ করে গ্রামে উঠান বৈঠক করে ভোক্তাদের অধিকার আইন ২০০৯ তথ্য দিয়ে জন সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
অবহিতকরন আলোচনা সভার সভাপতি হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ সরকার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ সালে করেছেন। এই আইন নিজেরা জানবেন, অন্যদেরকে জানাবেন। আমাদের সকলের জানা বুঝার মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে ও ভোক্তাগণ ন্যাযতা পাবে ।আপনারা জানেন, ভোক্তা অধিকার নিয়ে হরিরামপুর উপজেলা প্রশাসন মবিল কোর্টে জরিমানা করছে। উপজেলা প্রশাসন সরকারি বেসরকারি সকল অফিসকে ভোক্তা অধিকার আইন সম্পর্কে অবহিত করেন। আপনারা সকলে আমাদেরকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন। ভোক্তার অধিকার রক্ষা করা প্রশাসনের যেমন দায়িত্ব তেমনি আপনারা অন্যদেরকে সচেতনত করে সহযোগিতা করবেন।
বিশেষ অতিথি হরিরামপুর থানা ইচার্জ সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, মানুষ ভোক্তা হিসাবে এখনও সচেতন হতে পারেনি। এ সুযোগ নেয় অনেকে। আমাদের আরো জানতে হবে, শিখতে হবে, সচেতন হতে হবে। বিশেষ করে সরকারি বেসরকারি অফিস বিভিন্ন সময় আলোচনার মাধ্যমে জনগণকে আমারা অবহিত করে আসছে। সকলকে দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসলে বাংলাদেশ সরকারের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ সফলভাবে বাস্তবায়ন হবে।সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ বাংলাদেশ সরকারের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ সফলভাবে বাস্তবায়ন হবে, আমরা সকলে ভাল থাকব। কর”মানুষ হিসাবে বেঁচে থাকার জন্য সকলের খাদ্যের প্রয়োজন। আর প্রকৃতিতে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য উপাদান রয়েছে। আবার এই খাদ্যকে প্রক্রিয়া করণের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে রুপান্তর করা হয়। রুপান্তরকৃত খাদ্য ভিন্ন স্বাদ বা গন্ধ পাওয়া যায়। বিভিন্ন ধরনের খাদ্য একই ব্যক্তি উৎপাদন করতে পারে না। ফলে মানুষকে ভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহ করতে হয়। পণ্য সংগ্রহের স্বার্থে ভোক্তার অধিকার যুক্ততা রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন রয়েছে। প্রতিটি ভোক্তার ন্যায্য অধিকার পাওয়ার জন্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ। তারই ধারাবাহিকতায় বারসিক ভোক্তা অধিকার আদায়ে গ্রামে আলোচনা, মতবিনিময় ও বিল বোর্ড প্রদান করে সচেতনতা সৃষ্টিতে সহায়ক হয়।