ডেস্ক রিপোর্ট
২৭ মে ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক: সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ বুধবার চট্টগ্রামের শতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হচ্ছে। সকালে এসব গ্রামে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়েছে। এরপর পশু কোরবানিও দিয়েছেন এসব গ্রামের বাসিন্দারা।
বাংলাদেশে ঈদ উদ্যাপিত হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। তবে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদ্যাপন করে আসছেন। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী, পটিয়া, বোয়ালখালী, হাটহাজারী, সন্দ্বীপসহ বিভিন্ন স্থানে এই দরবারের অনুসারীরা রয়েছেন।
মির্জাখীল দরবার সূত্রে জানা গেছে, সকাল আটটার দিকে আনোয়ারা উপজেলার তৈলারদ্বীপ গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে উপজেলার বরুমচড়া, হেটিখাইন ও বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর ও চাম্বলে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়া সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল, গাটিয়াডাঙ্গা, আলীনগর, মাদার্শা, খাগরিয়া, মৈশামুড়া, পুরানগড়, বাজালিয়া, মনেয়াবাদ, চরতি, সুঁইপুরা ও হালুয়াঘোনা এবং চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি, চরবরমা, কেশুয়া, কানাই মাদারি, সাতবাড়িয়া, বরকল, দোহাজারী, জামিরজুরিসহ বিভিন্ন স্থানে সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে মির্জাখীল দরবার শরিফের মূল খানাকাহ মাঠে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান।
আনোয়ারা উপজেলার বরুমচড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবু জাফর চৌধুরী বলেন, ‘আমরা সকাল আটটার দিকে তৈলারদ্বীপে ঈদের নামাজ আদায় করেছি। এরপর পশু কোরবানিও দিয়েছি।’
ঈদ উদ্যাপনের বিষয়ে মির্জাখীল দরবার শরিফের মুখপাত্র মোহাম্মদ মছউদুর রহমান বলেন, ‘হানাফী মাযহাবের অনুসারী হিসেবে বিগত দুই শ বছরেরও বেশি সময় ধরে হজের পরের দিন ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন দরবারের অনুসারীরা। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে চাঁদের নিখুঁত অবস্থান এবং হজের খবর সরাসরি নিশ্চিত হয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’