ডেস্ক রিপোর্ট
১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক:: দশ হাজারের নিচে ইয়াবার অর্ডার পেলেই সুপারি যোগাড় করছে কক্সবাজারের কারবারিরা। এরপর দক্ষ শ্রমিকদের মাধ্যমে খোসা প্রায় অক্ষত রেখে বের করে ফেলা হয় মূল অংশ।
ফাঁকা স্থানে ঢোকানো হয় টেপে মোড়ানো ইয়াবা। একেকটি সুপারির খোলে ধরে দেড়শো বড়ি। সম্প্রতি এরকম চালানসহ রাজধানীর এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য জানা গেছে।
সুপারি খোসা আলগা করতেই খোল থেকে বেরিয়ে আসছে লাল টেপে মোড়ানো পুটলি। টেপের প্যাঁচ খোলার পর মেলে ইয়াবা। মোট পঞ্চাশটি সুপারি থেকে উদ্ধার হয়েছে সাড়ে সাত হাজার ইয়াবা।
সুপারির মধ্যে ইয়াবা ঢুকিয়ে কক্সবাজারের কারবারি চালান পৌঁছে দিয়েছে ঢাকার ব্যবসায়ীর কাছে। চালান নিয়ে আস্তানায় যাওয়ার পথে গোয়েন্দাদের নজরে পড়েন সাজ্জাদ হোসেন। সুপারি-রহস্য উন্মোচনের পর পুলিশ জানিয়েছে, দশ হাজারের নীচে অর্ডার পেলে ইদানিং সুপারির মধ্যে চালান সরবরাহ করছে কক্সবাজারের ইয়াবা ব্যবসায়ীরা।
ঢাকা মহানগর পুলিশ গোয়েন্দা বিভাগের (মিরপুর উপ কমিশনার মানস কুমার পোদ্দার বলেন, ‘সুপারির ভেতরের শক্ত অংশটুকু ফেলে দিয়ে বাইরের আবরণের মধ্যে ঢুকিয়ে ইয়াবাগুলো চোরাচালান করা হচ্ছে। এসময় তারা সাথে কিছু ভালো সুপারিও রাখেন যেন কেউ বুঝতে না পারে। এভাবেই তারা ইয়াবা চোরাচালান করছে। এর সাথে যারাই সম্পৃক্ত তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।’
গ্রেপ্তার ইয়াবা ব্যবসায়ী সাজ্জাদের কাছ থেকে কক্সবাজার ও ঢাকার বেশ কজন ইয়াবা ব্যবসায়ী সম্পর্কে তথ্য পেয়েছে পুলিশ। তাদের ধরতেও তৎপরতা চলছে। এদিকে, বারবার পরিবহণ কৌশলে বদল আনায় পাল্টা কৌশল নিয়ে ইয়াবা কারবারিদের ধরতে রাজধানীজুড়ে ফাঁদ পেতে রাখার কথা জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।