ডেস্ক রিপোর্ট

৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ

পটুয়াখালীতে কলেজছাত্রকে রাতভর নির্যাতনের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

আপডেট টাইম : অক্টোবর ৫, ২০২৬ ৯:৩০ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক: পটুয়াখালীতে মনির নামে এক কলেজছাত্রকে তুলে নিয়ে রাতভর মারধর ও নির্যাতনের পর এক লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে পটুয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক সাকিব মাদবর ও ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী সিয়ামের বিরুদ্ধে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে আহত অবস্থায় মনিরকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের বসাক বাজার এলাকা থেকে মনিরকে তুলে নিয়ে একটি নির্জন স্থানে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাকে মারধর করা হয় এবং তার ব্যবহৃত Samsung S25 Ultra মোবাইল ফোনটি রেখে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ নেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন মনিরের স্বজনরা।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক তামান্না রহমান বলেন, মনিরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে।

ভুক্তভোগী মনির বলেন, রাতে সাকিব ও সিয়াম আমাকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর আমাকে মারধর করে আমার Samsung S25 মোবাইল ফোন রেখে দেয় এবং এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে আমার এক বন্ধুর মাধ্যমে তাদের এক লাখ টাকা দিলে তারা আমাকে ছেড়ে দেয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্রদল নেতা সাকিব মাদবর। তিনি বলেন, আমরা তাকে আটকে রেখে কোনো মারধর করিনি। গভীর রাতে মনির আমাদের এলাকার এক মেয়ের বাড়িতে এসেছিল। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে সেখানে মারধর করে। ফোন পেয়ে আমি সেখানে উপস্থিত হই। এ সময় তার কাছ থেকে কোনো মোবাইল বা টাকা নেওয়া হয়নি। আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে গিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান।

তিনি বলেন, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শেয়ার করুন