ডেস্ক রিপোর্ট
২৯ জুন ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক: বিশ্বকাপের আগে খুব বেশি আলোচনায় না থাকলেও এরই মধ্যে লাইমলাইটে চলে এসেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। গ্রুপপর্বের তিন ম্যাচে চার গোল ও এক অ্যাসিস্টে এরই মধ্যে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের প্রধান কাণ্ডারি হয়ে উঠেছেন তিনি।
আজ রাউন্ড অব বত্রিশের ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে মাঠে নামছে ব্রাজিল। মহাগুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচেও তার দিকে ব্রাজিলিয়ানরা।
এরই মধ্যে ব্রাজিলের গ্লোবো নেটওয়ার্কের জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান ‘দোমিঙ্গাও’-তে এসে নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না ভিনিসিয়ুস। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক লুসিয়ানো হুকের দেখানো একটি বিশেষ চমক দেখে লাইভ অনুষ্ঠানেই কেঁদে ফেললেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
চমকটি ছিল ভিনিসিয়ুসের শৈশব ও কৈশোরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ-তার দাদিমা নিলজার একটি রেকর্ডেড ভিডিও বার্তা। যেখানে তিনি তার প্রিয় নাতির শৈশবের গল্প শুনিয়েছেন।
ভিডিওতে নিলজা বলছিলেন, “ও খুব লাজুক একটা বাচ্চা ছিল। ওর ধ্যানজ্ঞানই ছিল ফুটবল। ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত ও আমার পাশেই ঘুমাত। মাঝেমাঝে ও আমাকে জড়িয়ে ধরত এবং চোখ মেলে নিশ্চিত হতো যে সে আমার পাশেই আছে তো।” আরও বলেন, ‘ভিনি, আমার নাতি, আওয়ার লেডি অফ আপারেসিডা (দেবী) যেন সবসময় তোমাকে রক্ষা করেন। তোমার দাদিমা তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসে।’
দিদিমার এই ভালোবাসার বার্তা স্ক্রিনে দেখার পর চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি ভিনিসিয়ুস। কান্নাভেজা কণ্ঠে তিনি তার জীবনের কঠিন দিনগুলোতে দাদির ত্যাগ ও অবদানের কথা স্মরণ করেন।
ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘আমার দিদিমা আমার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ, যার সাথে আমি ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত একসঙ্গে থেকেছি। আমাদের বাড়িটা খুব ছোট ছিল, তাই আমাকে উনার পাশেই ঘুমাতে হতো। তিনি এমন একজন মানুষ যিনি আমার জীবনকে তৈরি করে দিয়েছেন।’
ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড আরও যোগ করেন, ‘আমি যখনই সময় পাই উনার পাশে থাকার চেষ্টা করি, প্রতিটি মুহূর্তকে আগলে রাখি। কারণ আমি জানি, একদিন সবাইকে চলে যেতে হবে। আমি উনার এবং আমার পরিবারের সাথে প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করি, যারা আমার স্বপ্ন পূরণ করার জন্য নিজেদের সবকিছু উজাড় করে দিয়েছিলেন।’