ডেস্ক রিপোর্ট
১৯ এপ্রিল ২০২৪, ১১:০৭ অপরাহ্ণ
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: লেনিনের মৃত্যুশতবর্ষ উপলক্ষে আজ ১৯ এপ্রিল ২০২৪ শুক্রবার বিকাল ৪টায় নারায়ণগঞ্জে বাসদ জেলা কার্যালয়ের (২নং রেলগেট) হলরুমে বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ, নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা ও চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, নারায়ণগঞ্জ জেলার যৌথ উদ্যগে;লেনিনের সংস্কৃতি ভাবনা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির আহবায়ক প্রদীপ সরকার ও সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি দাস।
শুরুতে সেমিনারপত্র উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি জাকির হোসেন।
সেমিনারে বিষয়বস্তুর ওপর আলোচনা করেন বাংলাদেশ চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নিখিল দাস ও বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কবি দীপংকর গৌতম, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, মুন্সীগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি শ, ম, কামাল হোসেন, প্রগতি লেখক সংঘ নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সদস্য দুলাল সাহা, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সদস্য সেলিম আলদীন, সমাজ অনুশীলন কেন্দ্রের সংগঠক কবি রঘু অভিজিৎ রায়, প্রগতি লেখক সংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দীনবন্ধু দাশ, মাহবুবুল হক, চারণের সদস্য মুন্নি সরদার, প্রগতি লেখক সংঘের জেলা সহ-সভাপতি শহিদুল আলম নান্নু প্রমূখ।
স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন কবি মোঃ শুক্কুর মাহমুদ জুয়েল, কবি পল্লবী প্রত্যাশা, কবি জয়নুল আবেদীন জয়। কবিতা আবৃত্তি করেন আবৃত্তি শিল্পী তিথি সুবর্ণা। এবং গণসংগীত পরিবেশন করেন প্রগতি লেখক সংঘের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির অর্থ-সম্পাদক সুজয় রায় চৌধুরী বিকু।
আলোচকরা বলেন, লেনিন ছিলেন পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের (রাশিয়ায়) রুপকার ও নেতা। তিনি বুঝেছিলেন সমাজ বিপ্লবের প্রয়োজনেই সাংস্কৃতিক আন্দোলন প্রয়োজন। তাই তিনি গোর্কির মত প্রগতিশীল লেখকদের ঐক্যবদ্ধ হবার জন্য উৎসাহিত করতেন। সাংস্কৃতিক আন্দোলনে শ্রমজীবী মানুষকে যুক্ত করার কথা বলতেন। শ্রমজীবী মানুষের লড়াই-সংগ্রাম, তাদের আকাঙ্খা, তাদের দাবি, তাদের স্বপ্ন শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে তুলে ধরার জন্য পরামর্শ দিতেন। সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবে সমাজের অর্থনীতি ও রাজনীতিতে যেসকল পরিবর্তন হয় তার সাথে সংগতিপূর্ণ সাংস্কৃতিক (চিন্তার জগৎ ও চেতনাগত) পরিবর্তনের বিষয়ে গুরুত্ব দিতে বলতেন।
আলোচকরা বলেন, বিশ্বব্যাপী মানব মুক্তির লড়াইয়ের সাথে সাথে মানুষের চেতনাবোধ অগ্রসর করার জন্য মেহনতি মানুষকে একটা উন্নত সাংস্কৃতিক আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ করতে চেয়েছিলেন। আমাদের দেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ক্ষেত্রেও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন আজ জরুরী হয়ে পড়েছে।