ডেস্ক রিপোর্ট

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ৩:১৫ অপরাহ্ণ

শান্তির আশা আর অশান্তির আশঙ্কা

আপডেট টাইম : সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৩ ৩:১৫ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্কঃ হুমকি-পাল্টা হুমকি, আলটিমেটাম-পাল্টা আলটিমেটাম নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বাড়ছে। একপক্ষ বলছে, ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া হবে না। অন্যপক্ষ বলছে, রাস্তায় নামতে দেওয়া হবে না। এ ধরনের পাল্টাপাল্টির মধ্যেই আসছে অক্টোবর মাস। কী হবে অক্টোবর মাসে? ক্ষমতাসীনরা বলছেন, কিচ্ছু হবে না। আর আন্দোলনকারীরা বলছেন, হবে অনেক কিছু।

এসব উত্তেজনার মধ্যেই জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তারা চাইছেন, নভেম্বরের শুরুতেই ভোটের তফসিল ঘোষণা করতে। কিন্তু ভোটের পরিবেশসহ নির্বাচন সম্পর্কে আস্থা তৈরির ক্ষেত্রে খুব কি অগ্রগতি আছে?

ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমতাসীন দলের পক্ষে ভোট চাওয়ার কারণে, ইসির অনুরোধে জামালপুরের জেলা প্রশাসককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনের সময় পুলিশ ও প্রশাসনকে নিরপেক্ষ রাখা বা নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়ে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ কী? এ ব্যাপারে সাংবাদিকরা ইসিকে প্রশ্ন করেছিলেন। এই প্রশ্নের উত্তর বা এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে চাননি সিইসি। গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে প্রধান বিতর্ক নির্বাচনকালীন সরকার। এ নিয়েই চলছে রাজনৈতিক বিরোধ। এই বিতর্ক ও বিরোধের মধ্যে কীভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, সে সম্পর্কে ইসির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য নেই। তবে পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, অতীতের মতো করেই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে যে সমস্ত চ্যালেঞ্জ বা বাধাগুলো চিহ্নিত হয়েছে সেসব উত্তরণে তেমন কোনো পদক্ষেপ তো দেখা যাচ্ছে না। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করা এবং ইসির প্রতি আস্থার সংকট দূর করার প্রশ্নেও বিশেষ কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না বরং তাদের কিছু বক্তব্যে এবং পদক্ষেপে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে, এই প্রশ্নে আশঙ্কা কমছে না, আস্থা তৈরি হচ্ছে না।

জাতীয় নির্বাচন বলতে সংসদ সদস্যদের নির্বাচনকে বোঝানো হয়। সংবিধানের ১১৯ (১) অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে গত পাঁচ দশকের অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। এসব ক্ষেত্রে দেখা গেছে, নির্বাচন সুষ্ঠু করার স্বার্থে কমিশন অনেক ক্ষেত্রেই তাদের ক্ষমতা প্রয়োগে আগ্রহী হয়নি, যার ফলে নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারেনি। আরপিওর ৯১-ই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যদি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রতীয়মান হয় যে কোনো প্রার্থী বা তার এজেন্ট আরপিও বা বিধিমালা বা আচরণ বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করেছেন বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করছেন, তবে কমিশন কতিপয় শর্ত পালন সাপেক্ষে ওই প্রার্থীর প্রার্থীপদ বাতিল করতে পারবেন। কিন্তু গত প্রায় পাঁচ দশকের নির্বাচনের ইতিহাসে কমিশন তার এ ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন, এমন কোনো উদাহরণ কি আছে?

গণপ্রতিনিধি আদেশে একজন প্রার্থীর ব্যয়সীমা ২৫ লাখ টাকা নির্ধারিত হলেও অধিকাংশ প্রার্থী এ ব্যয়সীমার অনেকগুণ বেশি টাকা নির্বাচনে খরচ করেন। নির্বাচনী প্রচারণাকালে একজন প্রার্থী নির্ধারিত ব্যয়সীমার অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করলেও নির্বাচন কমিশন তার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে বা অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের জন্য তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণে উদ্যোগ নিয়েছে সে ধরনের দৃষ্টান্তও নেই। ফলে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও কালো টাকার প্রভাব অপ্রতিরোধ্য গতিতে বেড়ে চলেছে, যা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করে ফেলছে।

সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের ওপর থাকলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষে নির্বাচন পরিচালনা করে মূলত মাঠ প্রশাসন। আরপিও ১৯৭২-এ সংসদ সদস্যদের নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার হিসেবে কাকে নিয়োগ দেওয়া হবে সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলা না থাকলেও কমিশন কর্র্তৃক জেলা প্রশাসককে (ডিসি) রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) সহকারী রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ প্রদান একটা নিয়মে পরিণত হয়েছে। আর রিটার্নিং অফিসার মাঠ পর্যায়ে নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং পোলিং অফিসার নিয়োগ দিয়ে থাকেন।

নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, এসপি, ওসিসহ পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ডিসি, ইউএনও, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, এসপি, ওসিদের নিয়ন্ত্রণ অর্থাৎ তাদের পদোন্নতি, বদলিসহ তাদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা সরকারের হাতে থাকায় ক্ষমতাসীন সরকারের পক্ষে নির্বাচনে তাদের দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করা সহজ। বাংলাদেশে এ যাবৎ দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত কোনো সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত সরকার পরাজিত না হওয়ার ঘটনায় এর সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়।

স্বাধীনতার পর থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ১১টি জাতীয় নির্বাচনের মধ্যে চারটি যেমন- অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৬-এর ১২ জুন, ২০০১-এর ১ অক্টোবর এবং ২০০৮-এর ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন আপাত নিরপেক্ষতা দেখিয়েছিল। আর দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যেমন আওয়ামী লীগের শাসনামলে ১৯৭৩-এর ৭ মার্চ, বিএনপি সরকারের আমলে ১৯৭৯-এর ১৮ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় পার্টির শাসনামলে ১৯৮৬-এর ৭ মে ও ১৯৮৮-এর ৩ মে এবং বিএনপি শাসনামলে ১৯৯৬-এর ১৫ ফেব্রুয়ারি, আওয়ামী লীগের শাসনামলে ২০১৪-এর ৫ জানুয়ারি ও ২০১৮-এর ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিরপেক্ষতা রক্ষা করেনি। প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দলীয় সরকারগুলোর পক্ষে কাজ করার অভিযোগ ও প্রমাণ আছে মাঠ প্রশাসনের বিরুদ্ধে। এসব নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি, বিতর্ক এড়াতে পারেনি এবং গ্রহণযোগ্যতাও পায়নি। স্বাধীনতার পাঁচ দশকে দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত কোনো জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি এবং এসব নির্বাচনে ক্ষমতাসীন কোনো দলীয় সরকার পরাজিত হয়নি।

তাই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। যেমন ক) সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে, এমন একটি আইনি কাঠামো থাকা। খ) প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাঁধা না থাকা যাতে ভোটারদের সামনে বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প প্রার্থী থাকে। গ) সঠিকভাবে প্রার্থী বাছাই এবং ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য প্রার্থীদের সম্পর্কে ভোটারদের সামনে যথাযথ তথ্য থাকা। ঘ) প্রার্থী এবং ভোটারদের ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে স্বাধীনভাবে নির্বাচন করতে পারা। ঙ) টাকার খেলা এবং পেশিশক্তির মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করার অপচেষ্টা নিয়ন্ত্রণ করা। চ) ভোট প্রদান এবং ভোট গণনা সঠিকভাবে করা। ছ) দ্রুততার সঙ্গে এবং সঠিকভাবে নির্বাচনী বিরোধ মীমাংসা করা। আর সবচেয়ে বড় কথা এমন ধরনের আস্থার পরিবেশ তৈরি করা যাতে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল, প্রার্থী এবং ভোটাররাও মনে করেন যে, ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, কারসাজিমুক্ত বিশ্বাসযোগ্য হয়েছে।

নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও অর্থবহ করার লক্ষ্যে সাংবিধানিক সংস্কারের পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় আরপিওতে অন্তর্ভুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ বলে অনেকেই মতামত দিচ্ছেন। এদের মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বের বিবেচনায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। যেমন ক) ‘না-ভোটে’র পুনঃপ্রবর্তন করা। খ) হলফনামার ছকে পরিবর্তন এনে এটিকে যুগোপযোগী করা এবং হলফনামায় মিথ্যা তথ্য প্রদান বা তথ্য গোপনকারীদের মনোনয়নপত্র বাতিলের সুস্পষ্ট বিধান করা। গ) হলফনামার তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের বিধান করা। ঘ) প্রত্যেক প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব যাচাই-বাছাইয়ের বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করা। ঙ) নির্বাচনী ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন কর্র্তৃক প্রার্থী ও ভোটারদের নিয়ে প্রতিটি সংসদীয় এলাকায় প্রকাশ্য বিতর্ক, প্রশ্নোত্তরপর্ব, মতবিনিময় সভার আয়োজন এবং হলফনামার তথ্য ছাপিয়ে তা ভোটারদের মধ্যে বিলির বিধান করা। চ) বিদেশে বা নির্বাচনী এলাকার বাইরে অবস্থানরত বাংলাদেশের নাগরিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা করা। সরকারি হিসেবেই বলা হচ্ছে ১ কোটি ৪৯ লাখ মানুষ দেশের বাইরে আছে। যাদের পাঠানো রেমিট্যান্স আমাদের অর্থনীতি শক্তিশালী করে কিন্তু নির্বাচনে তাদের মতের প্রতিফলন ঘটানোর ব্যবস্থা নেই।

আবার বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থায় সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে সরকার গঠনের কথা থাকলেও, বাস্তবে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের বিপরীতের দলই বিজয়ী হিসেবে দেশ শাসন করছে। যে নির্বাচনগুলো আপাত অর্থে গ্রহণযোগ্য ছিল সেখানেও দেখা যায়, ১৯৯১ সালে বিএনপি ৩০.৮১ শতাংশ, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ৩৭.৪৪ শতাংশ, ২০০১ সালে বিএনপি ৪০.৯৭ শতাংশ এবং ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ৪৮.৯০ শতাংশ ভোট পেয়ে সরকার গঠন করেছিল। যদিও এসব নির্বাচনে নানা জোটের ভোটের সমীকরণ ছিল তারপরও এটা তো পরিষ্কার যে, সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভোট ক্ষমতাসীনদের বিপক্ষেই ছিল। ফলে উপেক্ষিত সংখ্যাগুরুর নির্বাচনী ব্যবস্থা পাল্টানোর সময় এসেছে। এমন ব্যবস্থা করা দরকার যাতে সব ভোটারের ভোট গুরুত্ব পায়।

সেক্ষেত্রে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন ব্যবস্থা বা আনুপাতিক ভোটের ভিত্তিতে সংসদ সদস্য নির্বাচন, অর্থাৎ যে রাজনৈতিক দল নির্বাচনে যত শতাংশ ভোট পাবে, সে দল জাতীয় সংসদে তত শতাংশ সংখ্যক প্রতিনিধি পাঠাবে, এই পদ্ধতিটি বিবেচনার দাবি রাখে। পৃথিবীর ৮৭টি দেশে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন ব্যবস্থা চালু আছে। নেপাল এবং শ্রীলঙ্কায় এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। আমাদের মতো সংঘাতময় এবং আস্থাহীনতার নির্বাচনী দেশে এই পদ্ধতি গ্রহণ করা দরকার। কালো টাকা, পেশিশক্তি, সাম্প্রদায়িকতা ও আঞ্চলিকতার বিপরীতে কিছুটা হলেও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে এই পদ্ধতি সহায়তা করবে। আর প্রতিনিধিত্ব থাকার সুযোগ তৈরি হলে সংসদে কিছুটা হলেও মানুষের মতামত উত্থাপিত হবে। ক্ষমতা পরিবর্তনের দুটি পথ, নির্বাচন আর অভ্যুত্থান। এক্ষেত্রে সংঘাতের আশঙ্কা এড়িয়ে ক্ষমতার পালাবদল করতে নির্বাচনকেই অনেকেই গ্রহণযোগ্য পথ মনে করেন। যদিও এতে ব্যবস্থা বদলায় না। শুধু ক্ষমতার পালাবদল হয়ে থাকে। কিন্তু সেটাও আর স্বাভাবিকভাবে হচ্ছে না। ফলে গত পাঁচ দশকের অভিজ্ঞতা আর বর্তমানের মারমুখী পরিস্থিতিতে এটা স্পষ্ট যে, নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করতে নির্বাচন ব্যবস্থায় সংস্কার আনা অপরিহার্য।

লেখক: রাজনৈতিক সংগঠক ও কলাম লেখক

শেয়ার করুন