ডেস্ক রিপোর্ট
১৫ জানুয়ারি ২০২৩, ৯:২৩ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক:: বাম গণতান্ত্রিক জোট চট্টগ্রাম জেলার শাখার উদ্যোগে গ্রাহক পর্যায়ে ৫ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সমাবেশ নগরীর সিনেমা প্যালেস চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়।
বাম গণতান্ত্রিক জোট চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয়ক ও বাসদ চট্টগ্রাম জেলা ইনচার্জ কমরেড আল কাদেরী জয়ের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবি চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি কমরেড অশোক সাহা, সিপিবি চট্টগ্রাম সদস্য কমরেড উত্তম চৌধুরী, বাসদ ( মার্কসবাদী) চট্টগ্রাম জেলা সদস্য জাহেদুন্নবী কনক, উপস্থিত ছিলেন বাসদ চট্টগ্রাম জেলা সদস্য আহমেদ জসীম, বাসদ (মার্কসবাদী) চট্টগ্রাম জেলা সদস্য সচিব কমরেড শফিউদ্দিন কবির আবিদ। সমাবেশ পরিচালনা করেন বাসদ চট্টগ্রাম জেলা সদস্য আকরাম হোসেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার জনগণের মতামতের তোয়াক্কা না করে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের গ্রাহক পর্যায়ে ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে জনগণের দুর্ভোগ তৈরি করেছে। করোনার সময় থেকে জনগণের ওপর বাড়তি মূল্যের বোঝা চাপিয়ে চলেছে সরকার।
গত ২০২২ সালের আগস্ট মাসে জ্বালানী তেলের দাম ৩৫ থেকে ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে জনগণের দুর্ভোগ চরমে তুলেছে। এর পর থেকেই ব্যবসায়ীরা ধারাবাহিকভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দাম বাড়িয়েছে সরাকারের পক্ষ থেকে কোন রকম বাধা ছাড়াই। একদিকে দেশের শ্রমিক শ্রেণির আয় কমেছে অন্য দিকে আইএমএফ সহ বিভিন্ন আর্থিক সংস্থা গুলোর শর্ত মেনে দেশের সকল সেবা ক্ষাতে প্রনোদনার হার কমিয়েছে, ফলে মূল্য বৃদ্ধির বোঝা জনগণকে বহন করতে হচ্ছে।
বক্তারা বলেন রেন্টাল, কুইক রেন্টালের নামে জনগনের অর্থ দিয়ে অলস বিদ্যুতকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জও বহন করতে হচ্ছে।রেন্টাল, কুইক রেন্টাল বিদ্যতকেন্দ্রের সমালোচনাকারীদের হুমকি দিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।
বক্তরা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন জনগন থেকে কতটা বিচ্ছিন্ন হলে এ ধরণের কথা বলতে পারেন। জনগণ উন্নয়নের গল্প শোনে কিন্তু এই উন্নয়ন জনগণের কোন কাজে আসছে না। সরকার উন্নয়নের ফাকা বুলি দিনশেষে জনগণের দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে।
গত ১৪ বছরে ১৪ বার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। এখন বলা হচ্ছে প্রতিমাসে দাম সমন্বয়ের কথা। মূলত দাম সমন্বয়ের কথা বলে প্রতিমাসে দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে। বক্তারা অবিলম্বে বিদ্যুতের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করে এবং রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুতকেন্দ্রের নামে লুটপাট বন্ধ করে জনদুর্ভোগ কমানোর দাবি জানান।
সমাবেশ শেষে একটি মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে লালদীঘি চত্বরে এসে শেষ হয়।