ডেস্ক রিপোর্ট
৩ জুলাই ২০২২, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
সিলেট প্রতিনিধি:: অব্যাহত শিক্ষক নির্যাতন, নিপীড়ন ও হত্যার প্রতিবাদে শনিবার (২ জুলাই ২০২২) সারাদেশে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সমাবেশের অংশ হিসেবে সিলেটে সাংস্কৃতিক সমাবেশ অনুষ্টিত।
সিলেট নগরীর ক্বীন ব্রিজ সংলগ্ন সুরমা নদীর তীরে অনুষ্ঠিত হয় উদীচীর প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সমাবেশ। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উদীচী, সিলেটের সংগ্রামী সভাপতি কবি এনায়েত হাসান মানিক। গণসংগীত পরিবেশন করেন উদীচীর বন্ধুরা। এছাড়াও একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন রবীন্দ্রসংগীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গীতবিতান বাংলাদেশের অধ্যক্ষ অনিমেষ বিজয় চৌধুরী, উদীচী, সিলেটের সহসভাপতি রতন দেব এবং প্রগতি লেখক সংঘের বন্ধু ময়ূখ দাস।
বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, সিলেট জেলা সংসদের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল মিন্টুর সঞ্চালনায় সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড সৈয়দ ফরহাদ হোসেন, সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক কমরেড আনোয়ার হোসেন সুমন, বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি অধ্যাপক ভাস্কর রঞ্জন দাস, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্ক্সবাদী), সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি সিরাজ আহমদ, প্রগতি লেখক সংঘের অর্থ সম্পাদক সুব্রত দাস, যুব ইউনিয়ন, সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক নিরঞ্জন দাস খোকন, ছাত্র ইউনিয়ন, সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান প্রান্তিক এবং আহ্বায়ক মনীষা ওয়াহিদ।
সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টি(মার্ক্সবাদী), সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক ডা. হারাধন দাস, বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, সিলেট জেলার সভাপতি শামসুল ইসলাম, মহানগর সভাপতি অজয় রায়, প্রগতি লেখক সংঘ, সিলেটের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব নন্দী প্রমুখ।
সাংস্কৃতিক সমাবেশে বক্তারা বলেন, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও অসহিষ্ণুতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশের আকাশে বাতাসে। যার ফলে দেশের বেশ কয়েকটি স্থানে পরপর ঘটে গেছে সম্মানিত শিক্ষকের উপর হামলা, লাঞ্ছনা এমনকি হত্যার ঘটনাও। সম্প্রতি নড়াইলে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে উদ্দ্যেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়ে প্রশাসনের উপস্থিতিতে গলায় জুতোর মালা পরিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে লাঞ্ছিত করা হয়। সাভারের আশুলিয়াতে হাজী ইউনুছ আলী স্কুল এন্ড কলেজের শৃঙ্খলা কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষককে ভরা ময়দানে স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিষ্ঠানটির দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। শোনা যায় যে, অভিযুক্ত ছাত্রটি তার পারিবারিক রাজনৈতিক ক্ষমতাবলেই এই হত্যাকাণ্ডে প্ররোচিত হয়েছে। এর আগেও দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক উস্কানির মাধ্যমে সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। হৃদয় চন্দ্র মণ্ডল, আমোদিনী পাল, শ্যামল কান্তিসহ অনেক শিক্ষকই লাঞ্ছিত হয়েছেন প্রশাসন ও স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিকগোষ্ঠীর হাতে। এরই