ডেস্ক রিপোর্ট
২২ জানুয়ারি ২০২২, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক :: ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আরও এক যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইউনিয়নটিতে এ নিয়ে খুন হলো ৫ জন।
শুক্রবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নের তালতলা বিরীজ নামক স্থানে ওই যুবককে উপর্যুপরি কুপিয়ে ও পিটিয়ে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে রাত ২টার দিকে ফরিদপুর মেডিক্যালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। নিহত মেহেদী হাসান স্বপন (২৫) সারুটিয়া ইউনিয়নের সারুটিয়া গ্রামের দবির উদ্দিন শেখের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, বর্তমান চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মামুন ও পরাজিত বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী জুলফিকার কায়সার টিপুর কর্মী সমর্থকরা সহিংসতা আর হানাহানিতে লিপ্ত রয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, মামুন চেয়ারম্যানের সমর্থকরা স্বপনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে ফরিদপুর মেডিক্যালে রেফার্ড করে। এরপর সেখানেই রাত ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। নিহত স্বপন সারুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী জুলফিকার কায়সার টিপুর সমর্থক ছিলেন।
নিহতের মা ইয়াসমিন, চাচাত বোন পপিসহ স্বজনদের অভিযোগ, নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মামুনের নির্দেশে তার সমর্থকরা কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে তাকে।
নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মামুন বলেন, নিহত স্বপন গতকাল তার সামাজিক দলে যোগদান করেছে। যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে শোনা যাচ্ছে তারাও তার দল করে। তবে অপরাধীকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলার সারুটিয়া গ্রামের স্বপন নামে একজনকে কুপিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষরা। পরে ফরিদপুর মেডিক্যালে তার মৃত্যু হয়। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার জেরে হত্যাকাণ্ড বলে পুলিশের ধারণা।