ডেস্ক রিপোর্ট

১২ নভেম্বর ২০২১, ৭:২৩ অপরাহ্ণ

“রুশ বিপ্লব আজও বিশ্বের শোষিত মানুষের মুক্তিসংগ্রামে অনুপ্রেরণার উৎস”

আপডেট টাইম : নভেম্বর ১২, ২০২১ ৭:২৩ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক :: রুশ সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ১০৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ১৯১৭ সালে কমরেড লেনিনের নেতৃত্বে রাশিয়ার শ্রমিকশ্রেণি ও নিপীড়িত জনগণ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলো। অবসান ঘটিয়েছিলো যুগ যুগ ধরে চলমান শোষণমূলক সমাজব্যবস্থার। সে মহান বিপ্লবের অবিনাশী শিক্ষা আজও সারা দুনিয়ার মুক্তিকামী মানুষকে অনুপ্রেরণা যোগায়।

আজ ১২ নভেম্বর বিকেলে ঢাকায় জাতীয় জাদুঘরের সামনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলন কেন্দ্রীয় পাঠচক্র ফোরামের সমন্বয়ক কমরেড শুভ্রাংশু চক্রবর্ত্তী। সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় পাঠচক্র ফোরামের সদস্য কমরেড মনজুর আলম মিঠু, কমরেড অপু দাশ গুপ্ত, কমরেড বেলাল চৌধুরী, কমরেড সাদরুল হাসান রিপন ও গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি আরিফ মঈনুদ্দিন।

সভাপতির বক্তব্যে কমরেড শুভ্রাংশু চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী শাসন ও পুঁজিবাদী শোষণে বাংলাদেশের মানুষ আজ জর্জরিত। সরকারের গণবিরোধী বিভিন্ন সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিসহ হয়ে ওঠেছে। নিত্যপণ্যের দামবৃদ্ধির ফলে মানুষ যখন দিশেহারা, তখন সরকার এবং পরিবহন মালিকেরা পরস্পর যোগসাজশের মাধ্যমে জ্বালানি তেল ও পরিবহনের ভাড়া বাড়িয়েছে। করোনাকালে বেকারের সংখ্যা বেড়েছে, মানুষের আয় কমেছে। অন্যদিকে, ধনীদের সম্পদ আরও বেড়েছে। সরকার জনগণের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন চালিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করছে’।

কমরেড শুভ্রাংশু চক্রবর্ত্তী ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং শোষিত-নিপীড়িত মানুষের সার্বিক মুক্তি অর্জনের জন্যে পুঁজিবাদবিরোধী সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্যে মুক্তিকামী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন