ডেস্ক রিপোর্ট
১৭ আগস্ট ২০২১, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক:: তুরস্ক জানিয়েছে, আফগান সংঘাতে সংশ্লিষ্ট ‘সব পক্ষের’ সঙ্গে কথা বলছে তারা, যার মধ্যে তালেবানও রয়েছে। খবর বিবিসি।
এর আগে তুরস্ক বলেছিল ন্যাটো বাহিনীর সদস্যরা আফগানিস্তান ছেড়ে যাওয়ার পর সে দেশের বিমানবন্দরের প্রহরা ও কার্যক্রম চালু রাখতে তাদের ৬০০ সৈন্য আফগানিস্তানে থেকে যাবে। কিন্তু এখন তালেবান ক্ষমতা হাতে নেওয়ার পর সেটা হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়।
তবে নাম প্রকাশ না করে দুটি সূত্র থেকে রয়টার্স সংবাদ সংস্থাকে জানানো হয়েছে, এই পরিকল্পনা এখন বাতিল হয়ে গেছে। কিন্তু তালেবান সহায়তা চাইলে তুরস্ক সেটা দিতে প্রস্তুত আছে বলে জানিয়েছে।
জর্ডানের রাজধানী আম্মানে এক সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গলবার তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুৎ কাভুসগলু বলেন, আফগানিস্তানে কূটনৈতিক মিশন এবং সেখানে তুরস্কের নাগরিকদের ব্যাপারে তালেবানের বার্তাকে তুরস্ক স্বাগত জানিয়েছে।
তিনি বলেন, “আমরা আশা করছি, তারা যা বলেছে তা কাজেও করবে।”
আরও বলেন, তুরস্ক আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
তুরস্ক এই মুহূর্তে আফগানিস্তান থেকে তাদের এবং অন্যান্য দেশের নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন কাভুসগলু।
দীর্ঘ ২০ বছর পর রবিবার আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সরকারি বাহিনীকে হটিয়ে রাজধানী কাবুল দখল করে নেয় তালেবান যোদ্ধারা।
তালেবানের অগ্রযাত্রার মুখে দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন প্রেসিডেন্ট আশরাফ গানি। বর্তমানে তালেবানের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
এ দিকে তালেবান সরকারের সঙ্গে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক’ চায় বলে জানিয়েছে চীন। এ ছাড়া রাশিয়া, ইরান এবং পাকিস্তানও তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।