ডেস্ক রিপোর্ট

১৪ আগস্ট ২০২১, ১০:২৯ অপরাহ্ণ

যুদ্ধ অবসানের জন্য আলোচনা চলছে: আফগান প্রেসিডেন্ট

আপডেট টাইম : আগস্ট ১৪, ২০২১ ১০:২৯ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: বিদেশি বাহিনীর আফগানিস্তান ত্যাগের ডামাডোলে দেশটিতে নিজেদের অবস্থান আরও সংহত করেছে তালেবান। গত সাত দিনে দেশের ৩৪টি প্রদেশের ১৮টিরও বেশি দখল করে নিয়েছে তারা। তালেবানের হামলার মুখে দৃশ্যত অসহায় আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আফগানিস্তানের সরকারি বাহিনী। শনিবার পরোক্ষভাবে তালেবানের মোকাবিলায় সরকারি বাহিনীর ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, যুদ্ধ অবসানের জন্য আলোচনা চলছে।

তালেবানের সাম্প্রতিক উত্থানের মধ্যে আফগান প্রেসিডেন্টকে এতোদিন পর্যন্ত এ ইস্যুতে প্রকাশ্যে কোনও কথা বলতে দেখা যায়নি। তবে শনিবার বিষয়টি নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন তিনি। ভাষণে তিনি বলেন, সামরিক বাহিনীকে পুনরায় সংহত করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

ভাষণে ব্যর্থতার দায় নিয়ে প্রেসিডেন্ট ঘানি নিজে পদত্যাগ করবেন কিনা; সে ব্যাপারে কোনও ইঙ্গিত দেননি তিনি। তবে আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম শহর দুটি ইতোমধ্যেই তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। রাজধানী কাবুল কার্যত ঘেরাও হয়ে পড়েছে। তালেবানের অগ্রাভিযানের মুখে যে আফগান সামরিক বাহিনী অন্যত্র তেমন কোনও প্রতিরোধই গড়তে পারেনি, তাদেরকেই এখন দৃশ্যত কাবুলকে রক্ষার শেষ লড়াইয়ে নামতে হবে।

সবশেষ খবরে মাজার-ই-শরিফ এলাকায় আবদুর রশিদ দোস্তামের মিলিশিয়া বাহিনীর সঙ্গে তালেবানের প্রবল লড়াই চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির টেলিভিশন ভাষণের কয়েক ঘণ্টা আগে ক্রমাবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে কাবুল থেকে আমেরিকানদের তুলে নিয়ে যাবার জন্য মার্কিন মেরিন সেনাদের প্রথম দলটি আফগানিস্তানে অবতরণ করে। মার্কিন নাগরিকদের নিয়ে যাওয়া এবং বিমানবন্দর রক্ষার জন্য মোট তিন হাজার মার্কিন সেনা কাবুলে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে হোয়াইট হাউস।

কাবুলের ওপর শিগগিরই সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু হবে। এমন আশঙ্কার মধ্যে অন্যান্য বিদেশি কূটনৈতিক মিশনগুলোও তাড়াহুড়ো করে তাদের লোকজনকে সরিযে নিচ্ছে। সূত্র: বিবিসি।

 

শেয়ার করুন