ডেস্ক রিপোর্ট

৩০ মে ২০২১, ৫:৪১ অপরাহ্ণ

ভারতে বাংলাদেশি তরুণীকে যৌন নির্যাতন: অভিযুক্ত আলামিন-তানিয়ার বাড়ি যশোরে

আপডেট টাইম : মে ৩০, ২০২১ ৫:৪১ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক:: ভারতের বেঙ্গালুরুতে বাংলাদেশি তরুণীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে দুইজনের বাড়ি যশোরে। এর মধ্যে একজনের নাম আলামিন ও অপরজনের নাম তানিয়া। আলামিন নামের ওই যুবকের বাড়ি যশোর শহরের চাঁচড়া মধ্যপাড়া এলাকায়। আর তানিয়ার বাড়ি অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়ায়।

ভিডিও প্রচার হওয়ার পর আলামিনের বাড়ির এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা তাকে শনাক্ত করলেও তাদের দাবি, আট মাস আগে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গত ২১ মে ভারতের বেঙ্গালুরুতে বাংলাদেশি এক তরুণীকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হয়। এই নির্যাতনের জড়িত অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে সেদেশের পুলিশ।

গ্রেপ্তার সবাই একই গ্রুপের এবং বাংলাদেশি বলে উল্লেখ করা হয়। ঘটনাটি প্রচার হওয়ার পর নির্যাতনের শিকার তরুণীর বাবা ঢাকার হাতিরঝিল থানায় মানবপাচার ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছেন।

তরুণীকে পাচার করে নিয়ে যাওয়ার মূল হোতা টিকটক হৃদয় বাবুর পরিচয়ও নিশ্চিত হওয়ায় এ নিয়ে বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোতে খবর প্রচার হয়।

তবে নির্যাতনের ভিডিওতে থাকা যশোরের আলামিন ও তার কথিত স্ত্রী তানিয়াকে শনাক্ত করেন তার প্রতিবেশী ও পরিবারের সদস্যরা।

আলামিনের বাবা যশোরের চাঁচড়া মধ্যপাড়া এলাকার ভ্যানচালক মনু মিয়া বলেন, ‘আলামিনের স্বভাবচরিত্র ভালো না। আলামিনের কাছে বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন আসতো। তারা আমার ঘরে বসেই ইয়াবা খেতো। যে কারণে আমি আট মাস আগে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেই। শুনিছি, আলামিন ইনডিয়া গেছে, তার বউ বাপের বাড়ি। সেখানে সে কী করছে জানি না। তার সাথে আমাদের কোনো যোগাযোগ নেই।’

মনু মিয়ার কাছ থেকে আরও জানা যায়, আলামিন দুই বিয়ে করেছেন। দুই সংসারে তার দুটি সন্তান রয়েছে। তাদের ফেলে তিনি ভারতে চলে যান। ভিডিওতে তাকে গোলাপি ফুলহাতা গেঞ্জি ও হাফপ্যান্ট পরিহিত অবস্থায় দেখা গেছে। তার পায়ে কালো রাবারের ব্যান্ড ছিল। ভিডিওতে থাকা লাল ফুলহাতা টপস পরা মেয়েটির নাম তানিয়া। তার বাড়ি যশোরের অভয়গর উপজেলার নওয়াপাড়ায়। তানিয়াকে আলামিন স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভারতে নিয়ে যান।

এদিকে, নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল ও আলামিনের পরিচয় ফাঁস হওয়ার পর থেকে তার বাড়ির লোকজনও চাপের মধ্যে রয়েছেন। স্থানীয় পুলিশও বিষয়টির ব্যাপারে খোঁজ-খবর করছে বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা।

অবশ্য এ ব্যাপারে যশোরের চাঁচড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক রকিবুজ্জামান বলেন, ‘আমি নির্যাতনের ঘটনাটি শুনেছি। তবে এর সাথে আমার কর্ম এলাকার কেউ জড়িত কি-না জানা নেই।

শেয়ার করুন