ডেস্ক রিপোর্ট
২০ এপ্রিল ২০২১, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
লুৎফর রহমান::
ক্রমগতির পর উল্লম্ফন, এভাবেই চলছে বস্তুজগৎ ও মানবসমাজের অন্তহীন পরিবর্তন।পৌনে দুশ বছরের বৃটিশ ভারতে স্বাধীনতা-সংগ্রামের এক পর্যায়ে ১৯৪৭ সালে এক লাফে পাকিস্তান ও ভারত নামের দুদেশ স্বাধীন হয়ে যায়। এবার আমরা পাকিস্তান রাষ্ট্রটি নিয়ে আলোচনা করবো। নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের জন্ম হয় উদ্ভট দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে। বলা হলো পাকিস্তান মুসলমানের দেশ। কিন্তু তা ছিলো মিথ্যাচার, ভাঁওতাবাজি। আসল বিষয়টা ছিলো, বৃটিশদের আগ্রাসনের কারণে পাকিস্তানের ধনিকগোষ্ঠী ইচ্ছেমতো বিকশিত হতে পারছিলো না। ওরা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দ্রুত বিকাশের মানসে পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশকে শুরুতেই উপনিবেশ বানিয়ে যাত্রা শুরু করে। তখনকার কমিউনিস্টদের উপলব্ধিতে ছিলো এ আজাদি মিথ্যে কারণ লাখো ইনছান অভুক্ত। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী তাদের পরিকল্পনা মোতাবেক এগুতে থাকে। তারা প্রথম আক্রমণ করে বাঙালির চিন্তা ও ভাব বিনিময়ের মাধ্যম বাঙলা ভাষাকে, জিন্নাহ্ ১৯৪৮ সালে ঢাকায় এসে ঘোষণা করেন, একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। সাথে সাথে জোর প্রতিবাদ হয়, সূচনা হয়ে যায় পরিবর্তনের লক্ষ্যে নতুন পরিক্রমা। ১৯৫২ সালে বুকের রক্ত ঢেলে সফলতা পায় বাঙালির বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। ক্রম পরির্তনের পথে যুক্তফ্রন্টের বিজয় হয় ’৫৪-এর নির্বাচনে। আসে ’৬২-র শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬-র ৬দফার আন্দোলন। তারপর ৬দফার সাথে যুক্ত হয় ১১দফা। ঘটে যায় ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, যে সিঁড়ি বেয়ে আসে ’৭০-এর সাধারণ নির্বাচন। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি। কারণ তারা স্বাদের উপনিবেশটি হারাতে রাজি হয়নি। বাংলাদেশের মানুষদের ওপর চাপিয়ে দেয় একটি অসম যুদ্ধ। বাঙালিরা পিছপা হয়নি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কারণ তারা অধিকার চায়, মুক্তি চায়, একটি মানবিক সমাজ চায়। এটাই ছিলো গণমানুষের প্রত্যাশা।
যুদ্ধে অংশ নেয় কৃষক-শ্রমিক, ছাত্র-যুবক, বুদ্ধিজীবী ও সব স্তরের মেহনতি মানুষ। এই সংগ্রামে, এই যুদ্ধে নেতৃত্ব ছিলো বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের। বঙ্গবন্ধুর চিন্তাজগতেরও একটি পরিবর্তনের ধারা রয়েছে। তিনি প্রথম করতেন মুসলিম লীগ, পরে আওয়ামী মুসলিম লীগ এবং শেষে আওয়ামী লীগ। তখনকার আওয়ামী লীগ ছিলো বাঙালি উঠতি ধনিকদের নেতৃত্বাধীন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের একটি দল। এই উঠতি ধনিকদের পাকিস্তানি একচেটিয়া পুঁজিপতিরা বিকশিত হতে বাধা সৃষ্টি করছিলো। এখান থেকে তাদের মুক্তির প্রয়োজন পড়েছিলো এবং ৬দফা ছিলো এ লক্ষ্যে একটি সিঁড়ি। ৬দফা মানলো না শাসকরা। তাই তাদের যুদ্ধে নামতে হলো এবং নেতৃত্ব তাদের হাতে রাখার জন্য বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ ডাক দিলেন, “আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো।
৬দফায় ছিলো স্বায়ত্বশাসনের দাবি আর ১১দফায় ছিলো কৃষক-শ্রমিক মেহনতি মানুষদের দাবিগুলো। সাধারণ মানুষ চেয়েছিলো সব রকম শোষণ-নির্যাতন-বঞ্চনা থেকে মুক্তি। অন্যদিকে উঠতি ধনিকরা জানতো তাদের একার পক্ষে স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব না। তাই মনের মধ্যে ভিন্ন চিন্তা থাকলেও তারা মেহনতি মানুষের ১১দফা সে সময় মেনে নেয়। তখন নেতৃত্ব উঠতি ধনিকদের হাতে থাকার আরো একটি কারণ ছিলো, সেটা হচ্ছে সে সময় মেহনতি মানুষদের এমন কোনো সংগঠিত দল ছিলো না যারা নেতৃত্ব দিতে পারে, ছিলো অনৈক্য। পানিস্তানি শাসকরা বামদের বিকাশ হতেও দেয়নি। তবে সে সময়ের বাম দলগুলোর কোনোটি মুক্তিযুদ্ধের মূল ধারার সাথে মিশে বা স্বতন্ত্রভাবে অংশ নিয়েছিলো। এটা ছিলো মুক্তিযুদ্ধের দ্বান্দ্বিক দিক।
অবশেষে ত্রিশ লক্ষ মানুষের আত্মত্যাগ ও দুলক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে ন মাসের যুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে গেলো। বাঙালির মুক্তিযুদ্ধে দুনিয়ার দ্বিধা-বিভক্তি স্পষ্ট হলো। সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক বিশ্ব, ভারত সহ দুনিয়ার গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতাকামী মানুষ আমাদের পক্ষে রইলো। আর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলো আমেরিকার নেতৃত্বে সাম্রাজ্যবাদী বিশ্ব ও তাদের তাবেদাররা এবং চীন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় নিশ্চিত হলো। ১৯৭১ থেকে ২০২১ সাল, স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তি হলো।
১০ জানুয়ারী ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে স্বাধীন দেশে এসে বঙ্গবন্ধু সরকারের নেতৃত্ব নিলেন। তাঁর মধ্যে আবেগ দানা বাঁধলো, দেশের খেটেখাওয়া সাধারণ মানুষ তাঁকে ভালোবাসে, বিশ্বাস করে। তিনি দুনিয়ার বিভক্তি ও কর্মধারা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করতে চাইলেন। দেশপ্রেমিক জাতীয় নেতা হিসেবে তিনি যাত্রা শুরু করলেন। একটি সংবিধান রচনায় প্রথমে হাত দিলেন। তিনি ৭ মার্চের ভাষণে বলেছিলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না, দেশের মানুষের অধিকার চাই।” সংবিধানে এর প্রতিফলন আমরা দেখতে পাই। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের মধ্যে যে প্রগতিশীল জাতীয় চেতনার উন্মেষ ঘটেছিলো সেই ভাষাভিত্তিক বাঙালি জাতীয়তাবাদ সংবিধানে স্থান পেলো। অধিকারবোধে সচেতন বাঙালির বহুদিনের সংগ্রামের লক্ষ্য ‘গণতন্ত্র’ মূলনীতি হিসেবে জায়গা পেলো শাসনতন্ত্রে। আর দ্বি-জাতি তত্ত্বের বিপরীতে জায়গা পেলো ধর্মনিরপেক্ষতা অর্থাৎ ধর্ম থাকবে ব্যক্তি পর্যায়ে রাষ্ট্রীয় কর্মে নয় যা জাতীয় ঐক্যের গ্যারান্টি স্বরূপ। স্থান পেলো সমাজতন্ত্র, একটি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে। সুতরাং ’৭২-এর সংবিধানের মূলনীতি হলো চারটি ১। জাতীয়তাবাদ ২। গণতন্ত্র ৩। ধর্মনিরপেক্ষতা ৪। সমাজতন্ত্র। এক কথায় সংবিধানে স্থান করে নিলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অর্জন, মানুষের চাওয়া।
প্রত্যাশার পরে সাধারণের প্রাপ্তির বিষয়টি আলোচনায় আসে। ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকারের শপথ ছিলো, “—- জনগণ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রতি যে ম্যান্ডেট দিয়াছেন সেই ম্যান্ডেট মোতাবেকই আমরা নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আমাদের সমবায় গণপরিষদ গঠন করিয়া পারস্পরিক আলাপ আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে এবং যেহেতু বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী ঘোষণা করিতিছি এবং উহা দ্বারা পূর্বাহ্নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা অনুমোদন করিতেছি,—-।” মূলত এই শপথনামাকে অনুসরণ করেই বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে হাত দেন। তিনি রাস্তাঘাট মেরামত, সমুদ্র বন্দরের মাইন অপসারণ, খাদ্য সংগ্রহ, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও শিল্পের বিকাশে পদক্ষেপ নেন। বড় বড় কারখানা জাতীয়করণ করা হয়। কৃষিতে সমবায় গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়। জমির সিলিং করা হয়। সবার জন্য শিক্ষা এই মর্মে কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়। কিন্তু দেখা গেলো এসব পজেটিভ পদক্ষেপ এগুচ্ছে না। নানা জটিলতায় মুখ থুবড়ে পড়ছে। শুধু তাই না মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত সাম্প্রদায়িক শক্তির অন্তর্ঘাত তীব্র হতে থাকলো। প্রশ্ন জাগে কেনো এমনটা হলো?
এই অন্তর্ঘাতের পেছনে প্রধানত তিনটে কারণ দায়ি, যথা- এক. সংগঠন, দুই. আমলাতান্ত্রিক নির্ভরতা, তিন. দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র।
এক.
বঙ্গবন্ধু নির্ভর করেছিলেন তার নিজের দল আওয়ামী লীগের ওপর। আমরা বলেছি এই দলটির নেতৃত্ব ছিলো উঠতি ধনিকদের হাতে। এই ধনিকদের স্বপ্ন ছিলো দ্রুত বিকশিত হওয়া। এ কাজটি করতে গিয়ে তাদের লুটপাটে অংশ নিতে হয় কারণ স্বাভাবিক গতিতে তা ছিলো সুদূরপরাহত। তাদের এক অংশের সাম্রাজ্যবাদের সাথে পূর্বেই যোগাযোগ ছিলো, তারা এটা আরো বৃদ্ধি করে, বঙ্গবন্ধু-গৃহীত পদক্ষেপসমূহের বিপক্ষে অবস্থান নেয়। সরাসরি বিরোধিতা না করলেও অন্তর্ঘাত চালায়, সরকারের জাতীয়করণ নীতিকে ব্যর্থ করে দেয়। সর্বোপরি সরকারকে ভ্রান্ত পথে চালিত করে। তারা দলের ও সরকারের দেশপ্রেমিক অংশকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র করে অনেকাংশে সফল হয়। তাজদ্দিন আহম্মদের মতো নেতাকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। বস্তুত শ্রেণিগত কারণেই এই দলটি সরকার-গৃহীত নীতি বাস্তবায়নে এগিয়ে আসেনি। সাম্রাজ্যবাদ এ জায়গাটি বেছে নেয়। আসলে তখন প্রয়োজন ছিলো একটি জাতীয় ঐক্যের। বঙ্গবন্ধু সে পথে হাঁটেননি বা যেতে পারেননি।
দুই.
নিজ দলের এই অবস্থান থেকে বঙ্গবন্ধুকে স্বভাবত আমলাতন্ত্রের ওপর নির্ভরতা বাড়াতে হয়। এমন কি পাকিস্তান সরকারের পক্ষের আমলাদেরকেও তিনি দক্ষ বিবেচনায় কাজে লাগান। কিন্তু একটা জিনিস তাঁর বিবেচনায় আসেনি এই সামরিক-বেসামরিক দক্ষ আমলারা তাদের নিপুনতা দিয়ে পাকিস্তানকে রক্ষা করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর উচিত ছিলো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে সুযোগ দিয়ে ভুল-ত্রুটির ভেতর দিয়েই দক্ষ করে গড়ে তোলা। দেশপ্রেম তাদের হয়তো ষড়যন্ত্রের পথে ধাবিত করতো না। তারা হয়তো অন্তর্ঘাতের পথে পা বাড়াতো না। পাকিস্তানপন্থীরা মূলত সাম্রাজ্যবাদের এজান্ডাই বাস্তবায়ন করেছিলো কারণ সাম্রাজ্যবাদের সাথে এদের বরাবরই সুসম্পর্ক বজায় ছিলো।
তিন.
মুক্তিযুদ্ধে ধর্মান্ধ মৌলবাদী শক্তি, রাজনৈতিক শক্তি পরাজিত হলেও স্বাধীন দেশে তলে তলে এরা সক্রিয় ছিলো, বৈদেশিক সহায়তায় বিশেষ করে সাম্রাজ্যবাদ ও মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশের মদতে এরা সংগঠিত হয়ে অনবরত বিভ্রান্তি ছড়াতে থাকে। সাম্রাজ্যবাদ বাংলাদেশকে কৌশলগত দিক থেকে বিবেচনায় নিয়ে তৎপরতা চালাতে থাকে; সরকার, শাসকদল, সামরিক বেসামরিক আমলা ও বিরোধীদের মাঝে কাজ করে সরকার অনুসৃত নীতিকে বাঞ্চাল করার দিকে এগোয়। তারা কৃত্রিম খাদ্য সংকট সৃষ্টি করে দুর্ভিক্ষ লাগায়। ফলে দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা চরমে পৌঁছে। এর সাথে যুক্ত হয় সরকার প্রধানের অসহায়ত্ব বা কর্মধারার ফাঁকগুলো। বলতে গেলে এক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। এই রাজনৈতিক অচলাবস্থাকে রাজনীতি দিয়েই অপসারণের কথা ছিলো। প্রয়োজন পড়েছিলো সুদৃঢ় সাংগঠনিক, অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ। কিন্তু সেটা হয়নি। মানুষকে অধিকার সচেতন করার পরিবর্তে কেড়ে নেয়া হয় অধিকার। সব রাজনৈতিক দল বেন্ড করে একটিমাত্র রাজনৈতিক দল ‘বাকশাল’ করা হয় দ্বিতীয় বিপ্লবের নাম করে। চারটি মাত্র পত্রিকাকে অনুমোদন দেয়া হয়। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংকোচিত হয়। সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার করে রাষ্ট্রপতির হাতে সকল ক্ষমতা ন্যাস্ত করা হয়। এসব পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে দেশীয় প্রতিক্রিয়াশীলরা ও আন্তর্জাতিকভাবে সাম্রাজ্যবাদ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ব্যাপক ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে। পরিণতিতে সামরিক বাহিনীর একটি বিপথগামী অংশের হাতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট রাতে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হন। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হলে দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়ে যায়। স্বাধীনতার পর যে রাজনৈতিক ধারাটির সূচনা হয়েছিলো তা বদল করার সূচনা সরকারটি হলো খন্দকার মোস্তাকের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের।
(চলবে)—-
লেখক : কলামনিস্ট