ডেস্ক রিপোর্ট

১৪ এপ্রিল ২০২১, ৩:১৮ অপরাহ্ণ

‘নতুন বছর আনবে মঙ্গলবার্তা, আলো আসবেই’

আপডেট টাইম : এপ্রিল ১৪, ২০২১ ৩:১৮ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক:: প্রতিকূল বৈশ্বিক মহামারি করোনার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে অফুরন্ত প্রাণশক্তি নিয়ে জাতি জেগে উঠেছে নতুন দিনের ভোরে, নতুন করে বেঁচে ওঠার কামনা নিয়ে। ঘরে বসেই আজ বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানাচ্ছে সবাই। শুরু হলো নতুন বঙ্গাব্দ ১৪২৮।

চলাচলে নিষেধাজ্ঞাসহ নানা কড়াকড়ির মধ্যে বুধবার সকাল ৭টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয় সঙ্গীতায়ন ছায়ানটের বর্ষবরণের আয়োজন। অনুষ্ঠানটি সাজানো হয় রমনার বটমূলের পুরানো আয়োজন ও নতুন রেকর্ড করা পরিবেশনার সমন্বয়ে।

এতে পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রভাতে ছায়ানটের শিল্পীরা গয়ে ওঠেন, ‘আমি ভয় করব না, ভয় করব না। দু’ বেলা মরার আগে মরব না ভাই, মরব না।‘ ছায়ানট সভাপতি সনজীদা খাতুন বলেন, ‘আমরা আশা করছি, অন্ধকারের উৎস থেকে আলো উৎসারিত হবেই। নতুন বছর বয়ে আনবে সর্বজনের জন্য মঙ্গলবার্তা। আলো আসবেই।’

ছায়ানটের এই ডিজিটাল আয়োজনে ছিল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দেশাত্নবোধক গানের পরিবেশনাও।

মহামারি করোনা প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত লকডাউনে এবারও গত বছরের মতো রমনার বটমূলে ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে বর্ষবরণের আয়োজন নেই। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, টিএসসি কিংবা চারুকলা প্রাঙ্গণেও নেই না সমাবেশ, ভিড় আর উচ্ছ্বাস। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হবে না রবীন্দ্রসরোবরে। অবশ্য স্বল্প পরিসরে সম্পন্ন হয়েছে প্রতীকি মঙ্গল শোভাযাত্রা। তবে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলা নববর্ষের নানা আয়োজনে এবারও উৎসবের সুরধ্বনি ছড়িয়ে পড়ছে কোটি বাঙালির হৃদয়ে।

ঘরে বসেই মানুষ বিগত বছরের গ্লানি, জরা, আবর্জনা ভাসিয়ে দিয়ে প্রাণের তানপুরায় শুনছে বর্ষবরণের আবহমান সুরধ্বনি। বাতাসে ভেসে আসা কল্লোলে কণ্ঠ মিলিয়ে আজ বাঙালি গেয়ে উঠছে, ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো।’

বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও গ্রুপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বাংলা নতুন বছরকে বরণের নানা আয়োজন করেছে। ঢাকার বাইরে বিভাগীয়, জেলা শহর, উপজেলা এবং গ্রামে গ্রামেও এ বছর বাংলা নববর্ষের আয়োজন হচ্ছে ঘরে। ঘরেই উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিচ্ছে ডিজিটাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

শেয়ার করুন