ডেস্ক রিপোর্ট
১১ এপ্রিল ২০২৩, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক: রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর জন্য নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। মজুরি বোর্ডে শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে গার্মেন্টস শ্রমিকদের প্রকৃত প্রতিনিধি নির্বাচন না করায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বাংলাদেশ ওএসকে গার্মেন্টস এন্ড টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ।
ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন ও সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্ত এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, গত ৯ এপ্রিল মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে শ্রমিক প্রতিনিধি হিসেবে যার নাম প্রকাশ করা হয়েছে ২০১৩ সালেও তিনি মজুরি বোর্ডের সদস্য হয়েছিলেন। সে সময় মজুরি নির্ধারণে মালিকদের স্বার্থকেই প্রাধান্য দেয়া হয়। ২০১৩ সালের মজুরি বোর্ড মাত্র ৫ হাজার ৩০০ টাকা নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করেছিলো। তৎকালীন বাজারদর অনুযায়ী তা ছিলো শ্রমিকদের সাথে উপহাস মাত্র।
নেতৃদ্বয় বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মজুরিবোর্ডে শ্রমিক-মালিক-সরকার মিলে ত্রি-পক্ষীয় প্রতিনিধি নিশ্চিত করার কথা থাকলেও এই মজুরিবোর্ডে মূলত মালিক প্েধসঢ়;ক্ষর লক্ষ্য বাস্তবায়ন উপযোগী শ্রমিক প্রতিনিধি মনোনয়ন করার মধ্য দিয়ে একপেশে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে।ঘোষিত শ্রমিক প্রতিনিধির কর্মকান্ড সরকার ও মালিকের স্বার্থরক্ষাকারী হিসেবেই গার্মেন্টস সেক্টরে পরিচিত। ফলে বাজারদর অনুযায়ী শ্রমিকের প্রকৃত মজুরি নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে নেতৃদ্বয় গভীর আশংকা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় আরো বলেন, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্দ্ধগতি দেশের অন্যান্য গরীব ও শ্রমজীবি মানুষের মত গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবনকেও অতিষ্ট করে তুলছে। গার্মেন্টস সেক্টরে নামেমাত্র যে মজুরি প্রদান করা হয় তা দিয়ে এক সপ্তাহও চলা সম্ভব হয় না। যার ফলে খেয়ে না খেয়ে, অর্ধাহারে-অনাহারে শ্রমিকদের জীবন অতিবাহিত হচ্ছে। এর ফলে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বিভিন্ন জায়গায় গার্মেন্টস শ্রমিকরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হচ্ছে। অথচ সরকার ও মালিক শ্রমিকদের ন্যায়সঙ্গত দাবিকে কর্ণপাত না করে কোথাও কোথ্ধাসঢ়;ও পুলিশ ও সন্ত্রাস দিয়ে শ্রমিকদের উপর লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে। সরকার ও মালিক গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণ নিয়ে ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত চালালেও গার্মেন্টস শ্রমিকরা আন্দোলন- সংগ্রামের মাধ্যমে তাদের প্রকৃত মজুরির দাবি সামনে আনছে বলে নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে উল্লেখ করেন।