ডেস্ক রিপোর্ট

১৯ মে ২০২১, ৫:১২ অপরাহ্ণ

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান: বাসদ(মার্কসবাদী)

আপডেট টাইম : মে ১৯, ২০২১ ৫:১২ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক:: অবিলম্বে ফিলিস্তিনে গনহত্যা বন্ধ ও ইসরায়েলী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহবানে বাসদ( মার্কসবাদী) সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে আজ বুধবার বিকাল ৩টায় সিটি পয়েন্টে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা আহ্বায়ক কমরেড উজ্জ্বল রায়। বক্তব্য রাখেন বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট হুমায়ুন রশীদ সোয়েব, মোখলেছুর রহমান প্রমূখ।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৪১টি শিশুসহ প্রায় ২০০জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলী বিমান থেকে একের পর এক বোমাবর্ষণে বহু আবাসিক ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। ১০হাজার ফিলিস্তিনি ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলী হামলা নিয়ে যখন বিশ্বের শান্তিকামী মানুষ উদ্বিগ্ন, তখন ইসরায়েলী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সদম্ভে ঘোষণা দিয়েছেন, ‘যতদিন প্রয়োজন হামলা চলবে ‘। সম্প্রতি আস্থা ভোটে জয়ী হলেও ইসরায়েলের আভ্যন্তরীন রাজনীতিতে নানা প্রশ্নে নেতানিয়াহু অভিযুক্ত। নিজের রাজনৈতিক অবস্থান সংহত করতে ফিলিস্তিনের ওপর অন্যায় যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছেন বলে ধারণা প্রকাশ পাচ্ছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ‘ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার আছে ‘ এমন মন্তব্য যেমন পক্ষপাতদুষ্ট,তেমনি তা কার্যত গাজায় নিরীহ মানুষ হত্যাকে বৈধতা দেয়ার সামিল। আত্মরক্ষার অজুহাত তুলে ইসরায়েল একের পর এক ফিলিস্তিন ভূখণ্ড দখল করবে, বোমা মেরে, ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে তাদের হত্যা করবে,এটি হতে পারে না। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে ধারাবাহিক ভাবে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে চলেছে। এ ক্ষেত্রে তারা আন্তর্জাতিক আইনকানুন রীতি – নীতি সব উপেক্ষা করে আসছে। সেই সঙ্গে নিপীড়ন চালাচ্ছে ইসরায়েলের ভেতরে বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের ওপরও।

নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশ সরকারের প্রতিও আহবান জানান বিশ্বশান্তির পক্ষে এবং ইসরায়েল এর এই বর্বর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান নেয়ার জন্য। নেতৃবৃন্দ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা ও তথ্য চুরির অভিযোগে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের তীব্র প্রতিবাদ জানান মামলা প্রত্যাহার ও তার মুক্তি দাবি করেন এবং স্বাস্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সহ দায়িদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করেন।সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে শেষ হয়।

 

শেয়ার করুন