ডেস্ক রিপোর্ট
৯ মে ২০২১, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
খুলনা প্রতিনিধি:: গত বছর থেকে পাটকল বন্ধ। বকেয়া পাওনা এখনও পরিশোধ করেনি প্রশাসন। মিল খোলারও উদ্যোগ নেই। প্রতিবাদস্বরুপ, ১ লা মে তে বিক্ষোভ পদযাত্রায়- শ্রমিক-কৃষক-ছাত্র-জনতা ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে ঈদের পূর্বেই বেতনের দাবি তোলা হয়। এবং, না পরিশোধে- দেয়া হয় আল্টিমেটাম। সে অনুযায়ী, ৮ ই মে তে আজ রাজপথে ইফতারের কর্মসূচী ঘোষণা করেছিলো- শ্রমিক-কৃষক-ছাত্র-জনতা ঐক্য পরিষদ।
আজ বিকেল চারটে থেকেই প্লাটিনাম জুটমিল প্রাঙ্গনে শ্রমিকেরা জড় হতে শুরু করে। এবং, একইসাথে জড় হতে শুরু করে প্রশাসনের গাড়ি। পাঁচটার দিকে, জনসংযোগের কেন্দ্র- ঐক্য পরিষদের অফিসে পুলিশ কর্মকান্ড বাধা দেয়া শুরু করে। রাজপথে ইফতার করতে অনুমতিপত্র দাবি করে, যেখানে- আগেই প্রশাসনকে যথাযথ অবহিত করা হয়েছিলো। এক পর্যায়ে- পুলিশের তৎপরতায় জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ হয়। রাজপথের বদলে স্থানীয় কলোনির মাঠে জনসমাগমকে স্খানান্তরিত হতে বাধ্য করে প্রশাসন। ক্রমাগত চার্জের মুখে- জনসমাবেশ পিপলস মিল গেটের দিকে মিছিল সহযোগে আগাতে থাকলে আবার প্রতিরোধী ভূমিকা নেয় পুলিশ। এ পর্যায়ে, রাস্তায় শুয়ে প্রতিবাদ করার চেস্টা করলে- শ্রমিকদের উপর চড়াও হয় স্থানীয় প্রশাসন। শেষমেষ- সাড়ে পাঁচটা নাগাদ- সম্পূর্ণ সমাবেশকে- পিপলস মাঠে আটকে ফেলতে সমর্থ হয় পুলিশ৷ পুলিশঘটিত বিশৃঙ্খলায় আহত হন, মিছিলের সামনে থাকা নারী শ্রমিকেরা।
পুলিশী বাধার মুখে- রাজপথ ব্যতীত ইফতার গ্রহণ প্রত্যাখান করে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা। কয়েকদফা জোরপূর্বক চেষ্টা করেও, পুলিশ বিক্ষুব্ধ জনতাকে- ইফতার গ্রহণ করাতে ব্যর্থ হয়। ইফতারের সময়, শুধু পানি দিয়ে রোজা ভাঙতে হয়েছে- আজকের পাটকল শ্রমিকদের। ঐক্য পরিষদের পরবর্তী কর্মসূচীর ঘোষণা এখনো আসেনি। ঈদের পূর্বে- পাটকল শ্রমিকদের পাওনা আদায় না হলে, তীব্রতর কর্মসূচীর ইঙ্গিত দিয়েছেন- শ্রমিক-কৃষক-ছাত্র-জনতা এক্য পরিষদ নেতা রুহুল আমিন।
প্রচণ্ড প্রশাসনিক বাধার মুখে, অসফল হয়- বিক্ষুদ্ধ জনতার ইফতার সমাবেশ কর্মসূচী। পাটকল শ্রমিকদের ঘরে ফিরে যেতে হল, রোজা না ভেঙেই।