ডেস্ক রিপোর্ট

৬ মে ২০২২, ১১:২৪ অপরাহ্ণ

ভোজ্য তেলের দাম বৃদ্ধি সরকারের চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয়: বাম জোট

আপডেট টাইম : মে ৬, ২০২২ ১১:২৪ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক:: ভোজ্য তেলের দাম লিটারে ৩৮ টাকা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনগণের প্রতি সরকারের চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় বলে মন্তব্য করেছেন বাম গণতান্ত্রিক জোট কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

বাম গণতান্ত্রিক জোট কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সমন্বয়ক ও ইউসিএলবি’র সাধারণ সম্পাদক কমরেড অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার এবং জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য সিপিবি’র সভাপতি কমরেড শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক কমরেড রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাসদের সাধারণ সম্পাদক কমরেড বজলুর রশীদ ফিরোজ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড মোশরেফা শিশু, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) সাধারণ সম্পাদক কমরেড ইকবাল কবীর জাহিদ, বাসদ (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক কমরেড মাসুদ রানা ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সভাপতি কমরেড হামিদুল হক আজ ৬ মে সংবাদপত্রে দেয়া এক যুক্ত বিবৃতিতে এই মন্তব্য করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ঈদের আগে থেকেই সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা বাজারে ভোজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। দোকানে কোন তেল না পাওয়ার চিত্র দেখা যায়। ঈদের পর সংকট আরও তীব্র হয়। বাজারে এমন সংকটের মধ্যেই ভোক্তা স্বার্থ না দেখে বাণিজ্য সচিব ব্যবসায়ীদের মুনাফার স্বার্থে তেলে দাম এক লাফে বোতলজাত সয়াবিন তেল ৩৮ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ৪৪ টাকা লিটার প্রতি বৃদ্ধির ঘোষণা দেন। এতে জনজীবনে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যাবে।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির কথা বলে ব্যসায়ীদের দাবির মুখে সরকার দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। অথচ আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে তখন দাম কমায়না।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, এমনিতেই ২ বছর ধরে করোনা মহামারির কালে দেশবাসী চাকুরি হারিয়ে, আয় কমে গিয়ে তীব্র আর্থিক সংকটে ভুগছে। সে সময়ে ভোজ্য তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধিতে জীবন জীবকা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। এমতাবস্থায় প্রয়োজনে ভর্তুকী দিয়ে হলেও দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ও জনগণের ক্রয় ক্ষমতার আওতায় রাখার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।

বিবৃতিতে চাল, ডাল, তেল, চিনি, আটা, লবনসহ নিত্য পণ্যের বেসরকারি বাণিজ্য বন্ধ করে সরকারি উদ্যোগে আমদানি ও বিতরণের ব্যবস্থা করার দাবি জানান। বিবৃতিতে বাজার নিয়ন্ত্রণে ভোক্তাদের সমন্বয়ে বাজার তদারকি জোরদার ও সর্বজনীন রেশনিং ব্যবস্থা চালুরও দাবি জানান।

শেয়ার করুন