ডেস্ক রিপোর্ট

৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ৫:৪০ অপরাহ্ণ

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাশিয়া?

আপডেট টাইম : ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২২ ৫:৪০ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক::  সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছেই। এর মধ্যেই যুদ্ধের আবহ উস্কে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেছেন যে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইউক্রেনে পুরো দস্তুর হামলার জন্য প্রায় ৭০ ভাগ প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা একত্রিত করেছে মস্কো। খবর বিবিসির।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে আবহাওয়া কিছুটা ভালো হবে। সে সময় আরও ভারী সামরিক জিনিসপত্র সীমান্তে নিতে পারবে মস্কো।

ইউক্রেন সীমান্তে বর্তমানে রাশিয়ার এক লাখের বেশি সেনা অবস্থান করছেন। তবে বরাবরই ইউক্রেনে হামলার পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র বার বার যুদ্ধের আশঙ্কা প্রকাশ করলেও এ বিষয়ে তারা কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি।

মার্কিন কর্মকর্তা বলছেন, গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই তারা এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তাদের দাবি, বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো সম্ভব হচ্ছে না।

তবে কর্মকর্তারা এ বিষয়ে এখনও দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছেন যে, পুতিন আসলেও এ ধরনের পদক্ষেপ নেবেন কি না। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এই সমস্যা সমাধানে কূটনৈতিক সমাধানের পথও রয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, রাশিয়া যদি ইউক্রেনে হামলা চালায় তবে প্রায় ৫০ হাজার বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারাতে পারেন। তারা এই পূর্বাভাসও দিয়েছেন যে, রাশিয়ার হামলায় কয়েকদিনের মধ্যেই ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পতন ঘটতে পারে এবং লাখ লাখ মানুষ দেশ ছেড়ে পালানোর কারণে ইউরোপে ভয়াবহ শরণার্থী সঙ্কট তৈরি হতে পারে।

এদিকে, রাশিয়ার আক্রমণ ঠেকাতে ইতোমধ্যেই পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশগুলোতে আরও সেনা মোতায়েন করেছে। ইতোমধ্যেই পোল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের আরও সেনা পৌঁছেছে। কয়েকদিন আগেই বাইডেন প্রশাসন ঘোষণা করেছে যে, পূর্ব ইউরোপে আরও প্রায় তিন হাজার সেনা মোতায়েন করা হবে।

মস্কো বলছে, ইউক্রেন সীমান্তে তারা যে সেনা মোতায়েন করেছে তা সামরিক মহড়ার অংশ। কিন্তু ইউক্রেন এবং তাদের পশ্চিমা মিত্র দেশগুলো এ নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

শেয়ার করুন