ডেস্ক রিপোর্ট
১৯ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক:: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন করা হয়েছে আগের কমিশনগুলোকে বৈধতা দেয়ার জন্য বলে মন্তব্য করেছেন বাসদ (মার্কসবাদী)র কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি বাসদ (মার্কসবাদী) বিশেষ সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক কমরেড মানস নন্দী এবং সদস্য সচিব কমরেড মাসুদ রানা এক বিবৃতিতে এই মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “গত ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২’ এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সংলাপে সরকারের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত এবং সরকারি সুবিধাপ্রাপ্ত দলগুলো ব্যতীত কোন বিরোধী দলই অংশ নেয়নি। নির্বাচন কমিশন গঠনের চূড়ান্ত সময়ের একমাস আগে তড়িঘড়ি করে এই আইন করা হলো। এতে নতুন কিছুই নেই। এখানে সার্চ কমিটি গঠন ও সেই কমিটির সদস্য কারা হতে পারেন সেটা সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। অর্থাৎ গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে প্রক্রিয়ার নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছিলো তাকে বৈধতা দেয়া হয়েছে। এ আইনটি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের যে নীল নকশা আছে তাকে বিন্দুমাত্র চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবেনা, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে এই আইন তৈরি করাও হয়নি।”
নেতৃবৃন্দ বলেন, “আন্দোলনের চাপে সরকার যদি সকল ক্রিয়াশীল রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা করে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন ও তার অধীনে নির্বাচন করে তবেই একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা আছে।”
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে বর্তমান সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে কার্যকর আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য দেশবাসীকে আহবান জানান।