ডেস্ক রিপোর্ট
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৬:০১ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক:: রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী প্রক্টর ফারহানা ইয়াসমিন কর্তৃক ১২ জন শিক্ষার্থীকে জোর করে চুল কেটে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।
আজ মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল কাদেরী জয় ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স বলেন, এরকম একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপ্রত্যাশিত। সেই শিক্ষক এরপরদিন পরিক্ষার হলে শিক্ষার্থীদেরকে হুমকি-ধামকি দেন। এতে আতঙ্কিত ও অবসাদগ্রস্থ হয়ে একজন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার চেষ্টা করে এখন হাসপাতালে ভর্তি আছে। এই ঘটনা অত্যান্ত বর্বর এবং ঘৃণ্য। বিগত ৩ বছর ধরেই তিনি শিক্ষার্থীদেরকে এরকম হেনস্তা করে আসছেন, এরকম অভিযোগ আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মত গণতান্ত্রিক ও মুক্তচিন্তার জায়গায় এরকম বর্বর ও ঘৃণ্য মানসিকতার শিক্ষকের কোন স্থান নেই।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ন্যুনতম গণতান্ত্রিক পরিবেশ অবশিষ্ট নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ব্যক্তিত্বহীন, পদলেহনকারী স্বৈরাচারী মনোভাবাপন্ন মানুষেরা এখন শিক্ষকের কাতারে। শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি, দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি, শিক্ষক মুল্যায়ন পদ্ধতি না থাকা, এইসমস্ত কারণে আজ শিক্ষকেরা এরকম দলীয় মাস্তান ও সেনা কর্মকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছে। শিক্ষকদের যে সম্মান ও মর্যাদার অবস্থান সমাজে ছিল, তা ধূলিস্যাৎ হয়ে গেছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা অবিলম্বে এই শিক্ষক নামের কলঙ্ক ফারহানা ইয়াসমিনের অপসারণ ও শাস্তি দাবি করছি। একই দাবিতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের যে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন, তাদের সঙ্গে পূর্ণ সংহতি জ্ঞাপন করছি।