ডেস্ক রিপোর্ট

১০ জুলাই ২০২১, ৮:০০ অপরাহ্ণ

সরকার শ্রমিক মৃত্যুর সঠিক সংখ্যা গোপন রাখছে বলে অভিযোগ ৯ সংগঠনের

আপডেট টাইম : জুলাই ১০, ২০২১ ৮:০০ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক:: ৯ সংগঠন আজ ১০ জুলাই বেলা ১২ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সেজান জুস কারখানায় আগুনে পুড়ে শ্রমিক গণহত্যার প্রতিবাদে এক সমাবেশ করে। ৯ সংগঠনের সমন্বয়ক ও জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল সম্পাদক ফয়জুল হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চা সভাপতি জাফর হোসেন, বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলন নেতা বেলাল চৌধুরী, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের সভাপতি মাসুদ খান ও বাসদ (মাহবুব) নেতা মাহিনউদ্দিন চৌধুরী লিটন।

প্রতিবাদ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, সংবাদমাধ্যমে সেজান জুস কারখানার মালিকের দেয়া বক্তব্যই প্রমাণ করে কারখানায় শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তার দায়িত্ব না।কারখানা থাকলেই নাকি সেখানে আগুন লাগবে, শ্রমিকদের মৃত্যু ঘটবে!!

অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানার গ্যেট বন্ধ করে রেখে শ্রমিকদের কাজ করতে বাধ্য করা,৬ তলা ভবনে নির্গমনের প্রয়োজনীয় সিড়ি না রাখার জন্য শ্রমিক গণহত্যার দায়ে সেজানের মালিককে ২৪ ঘন্টার ভিতর গ্রেফতার করতে তিনি সরকারের কাছে দাবী জানান।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বাংলাদেশে গত ৪০ বছর ধরে আগুনে পুড়ে, ভবন ধসে শ্রমিক গণহত্যার বিচার না হওয়ার জন্য সরকারের সমালোচনা করে বলেন, সরকার মুনাফা লোভী মালিকদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখে চলেছে।এই সরকার হলো বর্বর খুনী মালিকদের সরকার।

নেতৃবৃন্দ সেজান জুস কারখানায় আগুনে পুড়ে শ্রমিক মৃত্যুর সঠিক সংখ্যা প্রকাশের জোর দাবী জানিয়ে বলেন, সরকার সঠিক শ্রমিক মৃত্যুর সংখ্যা গোপন রাখছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আগুনে পুড়ে মৃত প্রতি শ্রমিক পরিবারকে ১ কোটি টাকা ও আহত প্রতি শ্রমিক পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবী জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে সেজান জুস কারখানায়র মালিকের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে হবে।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, করোনা অতিমারিতে সরকার জনগণকে ঘরে থাকার কথা বললেও শ্রমিকদের চরম মজুরি শোষণ করে মুনাফা লোটার জন্য মালিকদের সেবায় কারখানাগুলো চালু রেখে চলেছে। শ্রমিক গণহত্যার দায় তাই হাসিনা সরকারকেও নিতে হবে।

শেয়ার করুন