ডেস্ক রিপোর্ট
৪ আগস্ট ২০২৪, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচির মধ্যে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানায় ঢুকে ১৩ জন পুলিশ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর এবং সিরাজগঞ্জের এসপি আরিফুর রহমান মণ্ডল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আরিফুর রহমান মণ্ডল বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে। বর্তমানে সেখানে সেনাবাহিনী কাজ করছে।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়, সন্ত্রাসী হামলায় সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার ১৩ জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানায় হামলায় এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন।
এদিকে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে সহিংসতায় সাংবাদিকসহ চারজন নিহত হয়েছেন। রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রায়গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম তৌহিদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় রায়গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চারজন মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনজনকে মৃত অবস্থায় এবং একজনকে আহত অবস্থায় নিয়ে আসলে এখানে তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও বলেন, নিহতদের মধ্যে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন এবং ব্রহ্মগাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার লিটন রয়েছেন। এছাড়াও জাহাঙ্গীর আলম ও প্রদীপ কুমার নামে আরও দুজন আছেন। এদের মধ্যে প্রদীপ কুমার দৈনিক খবর পত্র পত্রিকার স্থানীয় সাংবাদিক বলে জানা গেছে। ।
এদিকে পুলিশ সদর দফতরের জনসংযোগ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, সন্ত্রাসীরা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যাত্রাবাড়ী ও খিলগাঁও থানা, টাঙ্গাইলের গোড়াই হাইওয়ে থানা, বগুড়ার সদর, দুপচাঁচিয়া ও শেরপুর থানা এবং নারুলী পুলিশ ফাঁড়ি, জয়পুরহাট সদর থানা, কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা, রংপুরের গঙ্গাচড়া, মিঠাপুকুর, পীরগাছা, পীরগঞ্জ, বদরগঞ্জ ও গংগাচড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও আশুগঞ্জ থানা, সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর, উল্লাপাড়া ও শাহজাদপুর থানা, হবিগঞ্জের মাধবপুর ফাঁড়ি, ময়মনসিংহ রেঞ্জ অফিস, নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়, দিনাজপুর সদর থানা আক্রমণ করেছে।
আহত পুলিশ সদস্য তিন শতাধিক বলেও জানায় পুলিশ সদর দফতর।