ডেস্ক রিপোর্ট
৮ জানুয়ারি ২০২৩, ৬:০৪ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক:: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ (২৪) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার আমাতুল্লাহ বুশরার পক্ষে জামিননামা দাখিল করা হয়েছে।
বুশরার আইনজীবী হাবিবুর রহমান চুন্নু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা বুশরার পক্ষে আদালতে জামিননামা দাখিল করেছি। আশা করছি আগামীকাল সোমবার তিনি কারামুক্ত হবেন।
রোববার (৮ জানুয়ারি) ঢাকার ৭ম অতিরিক্ত ঢাকা মহানগর দায়রা জজ তেহসিন ইফতেখারের আদালত বুশরার জামিন মঞ্জুর করেন।
বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) একই আদালতে জামিনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত বুশরার জামিনের বিষয়ে আদেশের জন্য আজ রোববার দিন ধার্য করেন।
বুশরা তার আইনজীবীর মাধ্যমে গত বছরের (৩০ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিনের আবেদন করেন। আদালত আবেদন গ্রহণ করে শুনানির জন্য এদিন ধার্য করেন।
এর আগে, ফারদিনকে খুন করা হয়েছে দাবি করে গত বছরের (১০ নভেম্বর) রামপুরা থানায় দায়ের করা মামলায় ‘হত্যা করে লাশ গুম’ করার অভিযোগ আনেন ফারদিনের বাবা নূর উদ্দিন। সে মামলায় এক নম্বর আসামি করা হয় ফারদিনের বান্ধবী আমাতুল্লাহ বুশরাকে। একই দিনে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৫ দিন রিমান্ডের পর এখন কারাগারে আছেন তিনি।
মামলার অভিযোগে ফারদিনের বাবা নূর উদ্দিন রানা বলেন, ফারদিনকে রামপুরা এলাকায় বা অন্য কোথাও হত্যাকারীরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। এ হত্যার পেছনের তার বান্ধবী আমাতুল্লাহ বুশরার ইন্ধন রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের (৭ নভেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ফারদিনের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। মরদেহ ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকরা জানান, ‘তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, তাকে হত্যা করা হয়েছে’। এ ঘটনায় মামলার তদন্তভার ডিবি পুলিশের ওপর ন্যস্ত করা হয়। এরপর মাদক সংশ্লিষ্টতা, মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে খুন, কিশোর গ্যাংয়ের সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলো সামনে আসে। সর্বশেষ তদন্ত সংশ্লিষ্ট ডিবি পুলিশ ও র্যাব তদন্ত অগ্রগতি নিয়ে এক ধরনের ‘সমঝোতা’য় পৌঁছে জানায়, স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ বা আত্মহত্যা করেছেন ফারদিন। ডিবি পুলিশ জানায়, ফারদিনের মৃত্যুর ঘটনায় জেলে থাকা বুশরা নির্দোষ।