ডেস্ক রিপোর্ট
৭ নভেম্বর ২০২২, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
সিলেট প্রতিনিধি:: বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সিলেট পরিভ্রমণের ১০৩তম বর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত সুন্দরী শ্রীভূমিতে কবিগুরু স্মরণ উৎসবে কবিগুরুর স্মৃতিসমূহ সংরক্ষণের উপর গুরুত্বারুপ করে সমাপ্তি হয়েছে। আজ সোমবার (০৭ নভেম্বর) সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জননেতা মাহবুবউল আলম এমপি।
বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন প্রধান তথ্য কমিশনার জাতীয় উদযাপন উদযাপন পর্ষদের আহবায়ক কবি আজিজুর রহমান আজিজ।
বিশ্বপ্রদীপ প্রজ্জ্বলনে অংশগ্রহণ করেন জননেতা মাহবুব উল আলম এমপি, বাংলা একাডেমির সভাপতি ও বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদের সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সিলেট জেলার সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, জেলা কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশ গুপ্তসহ অতিথিবৃন্দ।
শান্তি প্রার্থনা পাঠ ও প্রতিপাদ্য উপস্থাপন করেন বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক বিজিত কুমার দে, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত।
কবিগুরু স্মরণ উৎসব উদ্বোধন করেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. পবিত্র সরকার।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে তিন শতাধিক শিল্পী অংশগ্রহণ করেন। সংগীত নৃত্য ও আবৃত্তিতে অংশগ্রহণ করেন, চারুবাক, রবীন্দ্র সংগীত শিল্পীবৃন্দ, ললিত মঞ্জরী, শিশুতীর্থ, আনন্দলোক, বাংলাদেশ রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী সংস্থা, জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদ, গীতবিতান বাংলাদেশ, ছন্দনৃত্যালয়, সুরাঞ্জলি, নৃত্যশৈলী, মৃত্তিকায় মহাকাল, এমকা, নৃত্যরথ। সংগীত পরিবেশন করেন রাণা কুমার সিনহা, প্রতীক এন্দ, অনিমেষ বিজয় চৌধুরী, মুন্না দত্ত। নৃত্য পরিবেশন করেন শান্তনা দেবী, বিপুল শর্মা। আবৃত্তি করেন জ্যোতি ভট্টাচার্য, নন্দিতা দত্ত।
রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী বৃন্দের জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।
বক্তাগণ কবিগুরুর স্মৃতিসমূহ সংরক্ষণের উপর গুরুত্ব দেন।