ডেস্ক রিপোর্ট

৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২:৪২ পূর্বাহ্ণ

বিএনপির আন্দোলন মানে পুলিশকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট টাইম : সেপ্টেম্বর ৫, ২০২২ ২:৪২ পূর্বাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক:: তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির আন্দোলনের নমুনা হলো, আন্দোলন করতে গিয়ে নিজেরা নিজেরা মারামারি করা, পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা, সারাদেশে গণ্ডগোল করার অপচেষ্টা চালানো।

তিনি বলেন, নামসর্বস্ব যেসব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তারা সংলাপ করেছে, সেগুলোর বাস্তবিক অর্থে কোনো অস্তিত্ব নেই, আছে শুধু সাইনবোর্ড। তারা এই সমস্ত দল নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে বলে ঘোষণাও দিয়েছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগেও এরকম একটি ঐক্য তারা করেছিল যার ফলাফল হচ্ছে নির্বাচনে বিএনপির পাঁচটি আসন। এসব দলকে নিয়ে আন্দোলন করলে অতীতে যেমন জনগণ সাড়া দেয়নি, এবারও দেবে না।

রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের বিএনপির আন্দোলন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নির্বাচনের মাঠ থেকে বিএনপিকে সরানোর চেষ্টা হচ্ছে কি না এমন প্রশ্নে ড. হাছান বলেন, নির্বাচনের মাঠ থেকে তো কাউকে কেউ সরাতে পারে না, নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের মাঠ থেকে ২০১৪ সালে বিএনপি পালিয়ে গিয়েছিল এবং ২০১৮ সালে নির্বাচনের মাঠ থেকে পালিয়ে গিয়ে পরে নির্বাচনের ট্রেনের পাদানিতে চড়ে নির্বাচনে গিয়েছিল। তো এবার তারা নির্বাচনের ট্রেনের পাদানিতে চড়বেন না কি ট্রেনে চড়বেন সেই সিদ্ধান্ত তাদেরই নিতে হবে। আমরা চাই বিএনপি নির্বাচনে আসুক, তাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করুক।

বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিকে আবারও সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন হয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে। নির্বাচন কমিশন স্বাধীন কমিশন। আর সংবিধান অনুযায়ী অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে বিশেষ করে সংসদীয় গণতন্ত্রের দেশ ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, কন্টিনেন্টাল ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যে সরকার দেশ পরিচালনা করছিল সেই সরকারই নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে, আমাদের দেশেও তাই হবে। অন্য কোনো বায়না ধরে কোনো লাভ নেই। মির্জা ফখরুল সাহেবকে তাদের কর্মীরা যেহেতু সাড়া দিচ্ছে না সেজন্য তাকে গরম বক্তৃতা দিতে দেখা যাচ্ছে।

এর আগে মন্ত্রী আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ উপকমিটি আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘টেকসই উন্নয়নে পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে’র (International Conference on Environmental Protection for Sustainable Development- ICEPSD-2022) সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা দেন।

‘সবুজ বাংলাদেশ-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ (Green Bangladesh-Prosperous Bangladesh) প্রতিপাদ্য নিয়ে এ সম্মেলনের সমাপনীতে ড. হাছান বলেন, সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য প্রয়োজন মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে দেশে ফিরেই পরিবেশ রক্ষার কাজে হাত দেন। ১৯৮২ সালে কৃষক লীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে সারাদেশে বনায়ন শুরু করেন। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকার জন্য সারাবিশ্বে সুপরিচিত।

শেয়ার করুন