ডেস্ক রিপোর্ট

১৯ আগস্ট ২০২২, ৬:২৪ অপরাহ্ণ

জবিতে গাছ তলায় নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার বাস

আপডেট টাইম : আগস্ট ১৯, ২০২২ ৬:২৪ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক:: অযত্নে-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রায় ৩ কোটি টাকার বাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে কাঁঠালতলায় ৪টি ও বিজ্ঞান অনুষদের সামনে ৩টিসহ সর্বমোট সাতটি বাস দীর্ঘদীন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে আছে। এছাড়াও নতুন অ্যাকাডেমিক ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডে ৩টি মাইক্রোবাস অচল অবস্থায় পড়ে আছে। শিক্ষার্থীদের পরিবহন সংকট সত্ত্বেও দীর্ঘদীন এই বাসগুলো অচল অবস্থায় পড়ে আছে। এতে একদিকে যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা, অন্যদিকে ওইসব বাসের ইঞ্জিনসহ অনেক যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ার পথে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে কাঁঠাল তলায় ৪টি এবং বিজ্ঞান অনুষদের সামনে ৩টি বাস দীর্ঘদিন ধরে পড়ে আছে। এসব বাস এখন কোনো রুটে ব্যবহার করা হয় না। এভাবে গাড়িগুলো ফেলে রাখায় ছোট ক্যাম্পাসের অনেক জায়গা দখল করে রেখেছে সেগুলো। এতে ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুল সূত্রে জানা যায়, এসব বাসের প্রতিটির ক্রয়মূল্য প্রায় ৪৫ লাখ টাকা। এগুওলোর মধ্যে ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অর্থায়নে কেনা। বাকি একটি জনতা ব্যাংক থেকে উপহার পাওয়া।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের প্রশাসক অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল-মাসুদ বলেন, আমাদের পরিবহন পুলে সর্বমোট ৫৬টা গাড়ি আছে। এগুলোর একটিও পুরোপুরি নষ্ট বা ফেলা দেওয়ার মতো না। মূল সমস্যা ড্রাইভার (চালক) সংকট।

তিনি বলেন, আমাদের আরও ১৪ জন ড্রাইভার প্রয়োজন। অন্তত ৫ জন ড্রাইভার না হলে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। অনেকটা অভিযোগের সুরে জবি পরিবহন পুলের প্রশাসক বলেন, ইউজিসি কেন আমাদের সঙ্গে এমন আচরণ করে সে বিষয়ে আমি জানি না। বারবার তাদের কাছে ড্রাইভার-কর্মচারী নিয়োগের জন্য আবেদন করা হলেও তারা কেন চাহিদামতো জনবল নিয়োগ দেয় না সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ভালো বলতে পারবেন।

অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল-মাসুদ আরও বলেন, ইউজিসির কাছে চাহিদা দেওয়া আছে। এখন নতুন করে ড্রাইভার নিয়োগ দেওয়া হলে পড়ে থাকা গাড়িগুলো মেরামত করে চালানো হবে। তখন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এর সুফল ভোগ করতে পারবেন।

পড়ে থাকা মাইক্রোবাস সম্পর্কে তিনি বলেন, এগুলা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সময়ের মাইক্রোবাস, যেগুলা নন-এসি সার্ভিস। নন-এসি হওয়ার কারণে শিক্ষকরা এগুলাতে আরোহণ করতে আগ্রহী না। তিনি বলেন, এগুলা যেহেতু পুরোনো এবং অনেকদিন পড়ে থাকার কারণে নষ্টপ্রায় অবস্থা, তাই এগুলো ডিসপোজাল করে দেওয়াই ভালো।

শেয়ার করুন