ডেস্ক রিপোর্ট

৫ জুন ২০২২, ৮:৩০ অপরাহ্ণ

সীতাকুন্ডে বিস্ফোরণে শ্রমিক নিহত আহত হওয়ায় স্কপের নিন্দা ও ক্ষোভ

আপডেট টাইম : জুন ৫, ২০২২ ৮:৩০ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক:: স্কপ যুগ্ম সমন্বয়ক চৌধুরী আশিকুল আলম ও আহসান হাবিব বুলবুল স্কপ নেতা সহীদুল্লাহ চৌধুরী, মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, রাজেকুজ্জামান রতন, সাইফুজ্জামান বাদশা, কামরুল আহসান, আব্দুল কাদের হাওলাদার, হাবীবুল্লাহ, শামীম আরা, আজিজুন নাহার, আলাউদ্দিন মিয়া, ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, নঈমুল আহসান জুয়েল, শাকিল আক্তার চৌধুরী, বাদল খান, রিপন চৌধুরী, আমিরুল হক আমিন, নুরুল আমিন সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত যৌথ বিবৃতিতে সীতাকুন্ডে বি.এম. কনটেইনার ডিপোতে ক্যমিকেল কন্টেইনার বিস্ফোরণে ৩৯ জন নিহত এবং দেড়শতাধিক শ্রমিক আহত হওয়ায় নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

নেতৃবৃন্দ, ক্যমিকেল ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় আয়োজন ছাড়া ক্যমিকেল বোঝাই কন্টেইনার সংরক্ষণের কারণে এই মার্মান্তিক প্রাণহানীর ঘটনা ঘটেছে। ফলে কর্মক্ষেত্র কে নিরাপদ করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কেউই এর দায় এড়াতে পারেনা।

নেতৃবৃন্দ দায়ি প্রত্যেককে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি, নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে আই.এল.ও কনভেনশন ১২১ অনুসারে আজীবন আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ এবং আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক কর্মচারীদের বিনামূল্যে পুর্ণাঙ্গ চিকিৎসা, ক্ষতিপূরণ এবং পুণর্বাসনের দাবি জানিয়ে বলেন, কর্মক্ষেত্র কে নিরাপদ করতেই শ্রম আইনের ক্ষতিপুরণ সংক্রান্ত ধারা সংশোধন করা জরুরী। কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের মৃত্যুর জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো সরকারী কর্মকর্তাকেও শাস্তি পেতে হয়না, মালিককেও শাস্তি পেতে হয়না। ফলে কর্মক্ষেত্রে জীবনহানির ঘটনা কমছেনা।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা যাচ্ছে যে, অনেক লাশের পরিচয় পাওয়া যাচ্ছেনা তার অর্থ দঁড়ায় ডিপোতে কর্মরত শ্রমিকদের নিয়োগ পত্র. পরিচয় পত্র বা হাজিরা খাতা সংরক্ষণের কোনো নিয়ম মানা হয়নি। যেকোনো কারখানায় দুর্ঘটনার পরেই আমরা দেখতে পাই সেখানে প্রয়োজনীয় নিয়ম পালন করা হচ্ছিলনা। এর ফলে বারবার প্রমাণিত হয় সংশ্লিষ্ট সরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেননা। এত মানুষের মৃত্যুতেও তাদের জবাবদিহিতা থাকার উপলবদ্ধি তৈরি হচ্ছেনা।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সুষ্ঠ তদন্ত ও সঠিক কারণ উদঘাটনের স্বার্থে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে, শ্রমিকের মৃত্যুর জন্য দায়ী মালিকপক্ষ এবং কর্তব্য অবহেলার জন্য দায়ী সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের শাস্তি দিতে হবে। মৃত্যুবরণকারী শ্রমিকদের আই এল ও কনভেনশন ১২১ অনুযায়ী আজীবন আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে। এ ক্ষেত্রে হাই কোর্টের নির্দেশনা এবং রানা প্লাজা ধ্বসের ঘটনায় ক্ষতিপূরণের হারকে বিবেচনায় নেয়া যেতে পারে। ক্ষতিপূরণের একই হারে আহতদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে।

শেয়ার করুন