ডেস্ক রিপোর্ট

৩১ ডিসেম্বর ২০২১, ১:৩৩ অপরাহ্ণ

পঞ্চগড়ে ফের মৃদু শৈত্যপ্রবাহের হানা

আপডেট টাইম : ডিসেম্বর ৩১, ২০২১ ১:৩৩ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক:: উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে টানা দু’দিন মেঘলা আকাশ আর গুড়িগুড়ি বৃষ্টির পর শুক্রবার ভোর থেকে আবারও চিরচেনা রূপে আবির্ভূত হয়েছে পৌষের শীত।

শুক্রবার ভোর থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে চারদিক। তাপমাত্রা আবার এক অঙ্কে নেমে এসে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলছে।

ডিসেম্বর মাসের তিন সপ্তাহ ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে এই জেলায়। বৃহস্পতিবার রাত থেকে প্রচণ্ড শীতের সঙ্গে ঠান্ডা বাতাসে কাবু হয়ে যাচ্ছে মানুষের সঙ্গে পশুপাখিও।

শুক্রবার সকাল ৬টায় ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি এবং সকাল ৯টায় তাপমাত্রা কমে গিয়ে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়ায় বলে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

স্থানীয়রা জানান, পৌষের শীত আর হিমেল বাতাসে জবুথবু অবস্থায় দুর্ভোগে দিন কাটছে ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ।

ভোরে ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকে চারদিক। তখন কুয়াশার কারণে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন।

সন্ধ্যা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত শীত নিবারণের জন্য আগুন পোহাতে দেখা যায় লোকজনকে। কুয়াশার সঙ্গে ঠান্ডা বাতাস শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়।

ভর দুপুরেও শীতের পোশাক মুড়িয়ে চলাফেরা করতে হয় পঞ্চগড়ে। শহর থেকে গ্রামাঞ্চলের দিকে শীতের তীব্রতা বেশি।

শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার হাড়িভাষা ইউনিয়নের সাহেববাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শীতের তীব্রতায় ঘর থেকে বের হচ্ছে না লোকজন। সকাল ৮টার দিকে সূর্যের আলোর দেখা মিললেও কৃষকরা দেরিতে বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন।

তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ জানান, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও কমে যেতে পারে। বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ চলছে। মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে জানুয়ারি মাসে।

জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম জানান, দেশের অন্যান্য জায়গার তুলনায় এ অঞ্চলে শীতের তীব্রতা বেশি। সরকারিভাবে শীতবস্ত্র বিতরণের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। শীত মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।

শেয়ার করুন