ডেস্ক রিপোর্ট

১৮ নভেম্বর ২০২১, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ

১৯ দিন পর বাড়ি ফিরলেন আকিব, মাথার হাড় প্রতিস্থাপন পরে

আপডেট টাইম : নভেম্বর ১৮, ২০২১ ১০:৪৮ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক:: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুরুতর আহত শিক্ষার্থী মাহাদি জে আকিব ১৯ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন।

বৃহস্পতিবার তাকে আইসিইউ থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ন কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মেডিকেল বোর্ড আকিব সুস্থ হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছে। তার বাবা তাকে সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন। বাকি চিকিৎসা আমরা পরামর্শ দিয়ে দিয়েছি। এক-দেড় মাস পরে আরেকটা ছোট অপারেশন লাগবে। সেটা আমরা করব।”

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বাড়িতে থাকবে। স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে। বইপত্র নিয়ে গেছে। দেড় মাস পর যে অপারেশনটা হবে সেটা আমরা করব।”

হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক নোমান খালেদ চৌধুরী বলেন, “মাহাদি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তিনি এখন সুস্থ। পরে তাঁর মাথার হাড়ের অংশটি প্রতিস্থাপন করা হবে।”

গত ৩০ অক্টোবর অস্ত্রোপচারের সময় মাহাদির মাথার হাড়ের অংশটি তাঁর পেটের চামড়ার নিচে রাখা হয়েছে। বর্তমানে মাথার হাড়হীন খালি অংশটিতে চামড়ার মতো আবরণ তৈরি হয়েছে। তবে সেই জায়গাটি নরম রয়েছে। কোনোভাবে যাতে সেখানে আঘাত না লাগে, সে বিষয়ে চিকিৎসকেরা সাবধান থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

নিউরো সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহফুজুল কাদের বলেন, তাঁর সব সেলাই কেটে দেওয়া হয়েছে। তিনি হেঁটে হাসপাতাল থেকে বের হয়েছেন। তাঁর বাবার সঙ্গে বাড়ি চলে গেছেন। পরে হাড়টি প্রতিস্থাপন করা হবে।”

৩০ অক্টোবর সকালে চমেক ক্যাম্পাসের সামনে রাস্তার ওপর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ও ছাত্রলীগের এক পক্ষের সমর্থক মাহাদি জে আকিবের ওপর হামলা করে অপর পক্ষ। এতে মাহাদি গুরুতর আহত হন। এর আগের রাতে ছাত্রাবাসে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মারামারির মাধ্যমে ঘটনার সূত্রপাত হয়। এর মধ্যে এক পক্ষ সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী ও অন্যটি শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর পক্ষ।

এদিকে দুই পক্ষের মারামারির ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির আগামী রোববার প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন হাতে আসার পর একাডেমিক কাউন্সিলের সভা ডেকে কলেজ খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কমিটি নতুন করে সময় বাড়ানোর আবেদন করলেও আর সময় দেওয়া হয়নি। গত মঙ্গলবার তারা নতুন করে সময় চেয়েছিল।

৩০ অক্টোবরের ঘটনার পর কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

শেয়ার করুন