ডেস্ক রিপোর্ট
১০ নভেম্বর ২০২১, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক :: নিউজিল্যান্ড-ইংল্যান্ডের কথা এলেই মনে পড়ে সুপার ওভার রোমাঞ্চের কথা! ২০১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে অদ্ভুতুড়ে এক ম্যাচের সাক্ষী হয়ে আছে দুটি দল। টাই হওয়ার পরেও ইংল্যান্ড বিজয়ী নির্ধারিত হয়েছে বাউন্ডারির সংখ্যায়। সেই ঘটনার ৮৫০ দিন পার হয়ে গেছে। মাঝে ঘটেছে কত পরিবর্তন!
তার পরেও আজ দল দুটি যখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম সেমিতে মুখোমুখি হবে। তখন এটা নিশ্চয়ই কেউ চাইবে না, আবার কেউ অদ্ভুতুড়ে নিয়মের বলি হোক। আবুধাবিতে বুধবার রাত ৮টায় শিরোপা মঞ্চে পা রাখতে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে কিউইরা।
তবে মহারণের আগে ইংল্যান্ডের জন্য ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ইনজুরি। যে গভীরতা নিয়ে তারা এতদিন নির্ভার ছিল। আঘাতটা এসেছে সেখানেই। ডেথ ওভারের অন্যতম অস্ত্র টাইমাল মিলস ছিটকে গেছেন আগেই। সর্বশেষ বিদায় নিশ্চিত হয়েছে ওপেনার জেসন রয়েরও। তবে জস বাটলার থাকায় সেটি প্রশমিত হওয়ার সুযোগ আছে। টুর্নামেন্টে বাবর আজমের পর সবচেয়ে বেশি রান এই উইকেটকিপারেরই। তার তুমুল ফর্মই ইংলিশদের ছন্দ তৈরি করে দিচ্ছে। তার পরেও ইংলিশদের নিয়ে ভয় কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের। অথচ রয় ছিটকে যাওয়ায় তাদের সবচেয়ে বেশি খুশি হওয়ার কথা।
২০১৬ সালে সেমিফাইনাল থেকে কিউইদের ছিটকে দিতে বড় অবদান ছিল রয়ের। ৪০ বলে বিধ্বংসী ৭৮ রানের ইনিংস খেলেছেন। এর পরেও কেন উইলিয়ামসনের শঙ্কা, ‘রয়-মিলস দুজনেই বড় মাপের খেলোয়াড়। দুর্ভাগ্যজনক যে ওরা ছিটকে গেছে। কিন্তু আমার মনে হয় ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হলো ওদের গভীরতা। ইনজুরি থাকার পরেও ওরা অনেক শক্তিশালী। যারা খুবই ভালো ক্রিকেট খেলে আসছে ইদানিং।’
উইলিয়ামসন ভয়ের কথা জানালেও বাটলারদের চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো রসদ আছে নিউজিল্যান্ডের। ট্রেন্ট বোল্ট তেমনই একজন। শুরু আর শেষের দিকে তার দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রণ যে কোন প্রতিপক্ষেরই দুর্ভাবনার কারণ। এছাড়া টুর্নামেন্টের যৌথসর্বোচ্চ উইকেট শিকারিও তিনি। ৫ ম্যাচে তার শিকার ১১ উইকেট! ইকোনমি ৫.৮৪। পাশাপাশি টিম সাউদি, ইশ সোধি ও মিচেল স্যান্টনার তো রয়েছেনই।
তবে প্রতিপক্ষের চেয়ে কিউইদের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে ঠাসা সূচি। মরুর বুকে তীব্র গরমে ৫ দিনে খেলতে হয়েছে ৩ ম্যাচ! এখন গত বিশ্বকাপের ভাগ্য বদলে সব ভুলে মরিয়া হয়ে নামলেই হয়!