ডেস্ক রিপোর্ট

২৯ আগস্ট ২০২১, ৮:১৯ অপরাহ্ণ

‘লোকায়ত ভাবেই ইমিউনিটি বুস্টার দিয়ে করোনা মোকাবেলা সম্ভব’

আপডেট টাইম : আগস্ট ২৯, ২০২১ ৮:১৯ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

মো.নজরুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ :: স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলি,করোনা ভাইরাসে না বলি’ এই স্লোগানকে ধারন করে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে কার্যকর একটি ইমিউনিটি বুস্টার বিষয়ক অনলাইন মাধ্যমে মানিকগঞ্জ বারসিক এর আয়োজনে আজ বিকেল ৩.০০-৫.০০ ঘটিকা পর্যন্ত একটি উদ্ভাবনী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সিংগাইর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আকরাম হুসাইন এর সভাপতিত্ত্বে ও বারসিক আঞ্চলিক সমন্বয়কারি বিমল রায় এর সঞ্চালনায় প্রধান আলোচক হিসেবে উদ্ভাবনী আলোচনা রাখেন মানিকগঞ্জ সিংগাইর অঞ্চলের কৃতি সন্তান ও প্রবাসী সিংগাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মলিকিউলার বায়োলজিস্ট এর গবেষক এবং করোনা বিরোধী ইমিউনিটি বুস্টার এর উদ্ভাবক ড. এম এ হুসেন।

এছাড়াও উদ্ভাবনী আলোচনার পর প্রশ্নোত্তর পর্বে আলোচনায় আরো অংশগ্রহন করেন মানিকগঞ্জ জেলা মানবধিকার ফোরাম এর সভাপতি এ্যাড.দিপক কুমার ঘোষ, প্রফেসর উর্মিলা রায়,বারসিক নির্বাহী প্রধান সুকান্ত সেন, প্রতিবেশীয় গবেষক পাভেল পার্থ, বিশিষ্ট উন্নয়নকর্মী এডওয়ার্ড জামান, বারসিক রাজশাহী অঞ্চল প্রধান মো.শহিদুল ইসলাম, সাতক্ষিরা থেকে বাবলূ জোয়ার্দার, হরিরামপুর চরাঞ্চল থেকে সত্ত রঞ্জন সাহা, শাহিনুর রহমান, মীর নাদিম প্রমুখ। এছাড়ও সূচনা বক্তব্যা রাখেন বারসিক প্রকল্প কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম।

উদ্ভাবক ড. এম এ হুসেন বলেন- আমি বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলাম এবং ছোটবেলা থেকেই শাস,কাশসহ ঠান্ডজনিত নানা রোগে ভুগতাম। আমার টনসিল সমস্যায় অপারেশন করা হলেও কোন কাজে আসেনি। তারপর আমি এই বিষয়ের উপর দীর্ঘদিন গবেষণা করতে থাকি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফামেসি বিভাগে লেখাপড়া শুরু করলেও স্বকলারশীপ পেয়ে ভারতের চন্ডিগড়ে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে মলিউকুলার বায়োলজি তথা ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া সংক্রান্ত অণুবিজ্ঞান এর উপর উচ্চতর ডিগ্রীর পর আবার বায়োকেমিস্ট এর উপর স্কলারশীপ পেয়ে সিংগাপুর ন্যাশনাল ইউনিভর্সিটি থেকে পিএইডি ডিগ্রী অর্জন এবং মানুষের সাধারন রোগভিত্তিক কিছু ফরমুলা নিয়ে গবেষণা শুরু করি। প্রিলিমিনারী এই গবেষণার মধ্যে প্রথম সারিতে আছে করোনা বিরোধী ইমিউনিটি বুস্টার। এটি আসলে সাধারন ফলমূলের রস থেকে এবং রাসায়নিক কিছু উপাদান দিয়ে তৈরী করা এক ধরনের বুস্টার । এটি প্রয়োগে করোনা রোগীর শক্তি বল ও ইমিউনিট বৃদ্ব্যি পেয়েছে তার প্রমানও মিলেছে। তাই আমি এটিকে সরকার ও আপনাদের মাধ্যমে প্রান্তজনের মাঝে ছরিয়ে দিতে চাই। আমি বিশ্বাস করি আপনারা সেটি গ্রহন করলে খুব দ্রুত মানুষের মাঝে পৌছে যাবে। এছারাও ব্রঙ্কাই হাপানি,ফুসফুস প্রদাহ ,এজমা, হাইপারটেনশন ও ডায়বেটিকসসহ মোট ১২টি ফরমুলা নিয়ে কাজ করছি। সবগুলোই গবেষণাই প্রিলিমিনারীভাবে আছে, আমি আশা করি আপনাদের সহযোগীতায় এটি প্রান্তজনের মাঝে পৌছে যাবে। মানুষ রোগমুক্ত ও নিরোগ থাকবে এটাই আমার স্বপ্ন ও প্রত্যাশা।

শেয়ার করুন