ডেস্ক রিপোর্ট

৫ আগস্ট ২০২১, ৫:০৫ অপরাহ্ণ

৭ই সেপ্টেম্বরের আগে সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনের নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট টাইম : আগস্ট ৫, ২০২১ ৫:০৫ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক::জাতীয় সংসদের সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ সংবিধান অনুযায়ী ৭ সেপ্টেম্বরের আগে সুবিধাজনক সময়ে করা যাবে বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের একক ভার্চ্যুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে ২৬ জুলাই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নির্ধারিত ২৮ জুলাই উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ ৫ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত করেছিলেন হাইকোর্ট। ওই আদেশের পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) ওই নির্বাচন স্থগিত করে। ভোটগ্রহণ স্থগিতের আবেদন করেছিলেন স্থানীয় সাতজন বাসিন্দা এবং ছয় আইনজীবী।

বৃহস্পতিবার বিষয়টি আদালতে উপস্থাপনের পর ৭ সেপ্টেম্বরের আগে সিলেট-৩ আসনে ভোটের নতুন তারিখ সুবিধাজনক সময়ে নির্ধারণ করতে পারবে নির্বাচন কমিশন- এমন আদেশ দেন হাইকোর্ট।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

এর আগে ভোট স্থগিত রাখার অনুরোধ জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদাকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবীর পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এ নোটিশ দিয়েছিলেন।

নেটিশে বলা হয়, গত ১১ মার্চ সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়। ১৫ মার্চ নির্বাচন কমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে ওই আসন শূন্য ঘোষণা করে। ২৯ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপন বলা হয়, সংবিধান অনুযায়ী ৮ জুনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে। কিন্তু দৈব দুর্বিপাকের কারণে তা সম্ভব না হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী আরো ৯০ দিন সময় বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ পায় ইসি। এরপর গত ২ জুন ওই উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিলে ১৪ জুলাই ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়। পরে ইসি ১৫ জুন তারিখ পরিবর্তন করে ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করে ২৮ জুলাই।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, দৈব দূর্বিপাকের কারণে সংবিধান অনুযায়ী সিলেটের এ উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তাই ২৮ জুলাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য উপ নির্বাচন স্থগিত করা যাবে না-এ বক্তব্য আইনের সঠিক ব্যাখ্যা নয়। ইসির উচিত চলমান করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে লকডাউনের সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন না করা এবং ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অন্য যে কোনো সময়ে ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা। ৩ লাখ ৫২ হাজার ভোটারের এ নির্বাচন অনুষ্ঠান সরকারের বর্তমান লকডাউন নীতিরও বিরোধী।

করোনা আক্রান্ত হয়ে এ বছরের ১১ মার্চ সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যু হয়। এরপর ১৫ মার্চ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল ঘোষণার পর ৯০ দিন পেছালেও ২৮ জুলাই ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়। ওইদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইভিএমে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণের কথা ছিল।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য (বহিষ্কৃত) স্বতন্ত্র প্রার্থী শফি আহমেদ চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

শেয়ার করুন