ডেস্ক রিপোর্ট
১২ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:২০ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির পানছড়িতে পিসিপি’র সাবেক সভাপতি বিপুল চাকমাসহ চার নেতাকর্মীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডে তীব্র ক্ষোভ এবং খুনীদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, চট্টগ্রাম নগর শাখা ও চট্টগ্রাম বিশ্বিবদ্যালয় শাখার।
আজ ১২ ডিসেম্বর’২৩ সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য প্রেরিত এক যৌথ বিবৃতিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট চট্টগ্রাম নগর শাখার সভাপতি মিরাজ উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্বিবদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ঋজু লক্ষ্মী অবরোধ খাগড়াছড়ির পানছড়িতে পিসিপির সাবেক সভাপতি, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিপুল চাকমা, পিসিপির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সুনীল কান্তি ত্রিপুরা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সহসভাপতি লিটন চাকমা, ইউপিডিএফ সদস্য রুহিন বিকাশ ত্রিপুরাসহ ৪ জনকে নৃশংস ভাবে হত্যা ও ৩ জন নিখোঁজের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, পাহাড়ে এ ধরণের হত্যাকাণ্ড প্রতিনিয়তই ঘটে চলেছে। সেনাবাহিনীর মদদে ও নানা মহলের উস্কানিতে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মানুষ নানা গ্রুপে নিজেরা বিভাজিত হয়ে একে অপরের প্রাণ সংহার করছে। পাহাড়ে ধারাবাহিকভাবে খুন- গুম- ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। কোন ঘটনার বিচার তো হয়ই না বরং রাষ্ট্রীয় বাহিনীর মদদে পাহাড় দিন দিন আদিবাসী পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জন্য অনিরাপদ হয়ে উঠছে। পাহাড়ে চলছে অঘোষিত সেনা শাসন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের গণতন্ত্রমনা, প্রগতিশীল মানুষেরা বারংবার পাহাড় থেকে সেনা ছাউনি প্রত্যাহারের দাবি করে আসলেও বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা যায়। সরাসরি রাষ্ট্রীয় বাহিনীর মদদে চলে খুন-গুম- ধর্ষণের মত ঘৃন্য নৃশংস ঘটনা। এর সর্বশেষ নজীর আমরা দেখলাম গতকাল রাতে। জানা গেছে সাংগঠনিক কাজে বিপুল চাকমাসহ মোট ৭ জন সহযোদ্ধা লোগাঙ এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখানে অনিল পাড়া নামক এক গ্রামে একটি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। রাত ১০-১১ টার দিকে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এসে এক এক করে ৪ জনকে গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এই ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও অমানবিক।
নেতৃবৃন্দ দ্রুততম সময়ে এই ঘটনার সাথে যারা যুক্ত তাদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানান। একই সাথে পাহাড় থেকে অঘোষিত সেনা শাসন প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।