ডেস্ক রিপোর্ট
৩০ জানুয়ারি ২০২২, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক :: তিন পার্বত্য জেলা রাংগামাটি,খাগড়াছড়ি ও বান্দরবনে গত তিনমাসে প্রায় একযোগে কয়েক হাজার শিশুর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়া ও ইতিমধ্যে ২০ জনের বেশী শিশুর মৃত্যুর ঘটনাকে অস্বাভাবিক হিসাবে আখ্যায়িত করে গভীর উদবেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছেন বাম জোটের নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ জরুরী ভিত্তিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে ঘটনার উপযুক্ত তদন্ত এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকরি পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের নেতৃবৃন্দ আজ রোববার, ৩০ জানুয়ারি গণমাধ্যমে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে এই আহবান জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রতিবছর শীত মৌসুমে পার্বত্য তিন জেলায় নিউমোনিয়ার কিছু প্রকোপ দেখা যায়।কিন্তু এই বছর এই প্রকোপ মারাত্মক রুপ নিয়েছে এবং পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি ঘটেছে। অবিলম্বে এই অবস্থার মোকাবিলা করতে না পারলে আরও বহু শিশুর জীবন বিপন্ন হবে।
তারা উল্লেখ করেন, এমনিতেই পার্বত্য জেলাসময়ে চিকিৎসা ব্যবস্থা দূর্বল ও অপ্রতুল। তার উপর রয়েছে পুষ্টিহীনতার সমস্যা। করোনা এই অবস্থাকে আরও ভংগুর করে তুলেছে।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ অনতিবিলম্বে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের জীবন রক্ষায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা,কয়েকটি মেডিক্যাল টীম প্রেরণ এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
বিবৃতি প্রদান করেন জোটের সমন্বয়ক বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, বাসদ- মার্কসবাদীর স্মমেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক মানস নন্দি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, গগণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, ওয়ার্কার্স পার্টি- মার্কসবাদীর সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সভাপতি হামিদুল হক।