ডেস্ক রিপোর্ট

২০ মে ২০২৩, ৯:৪০ অপরাহ্ণ

২০ মে কে ‘চা শ্রমিক অধিকার দিবস” হিসাবে ঘোষণার দাবি

আপডেট টাইম : মে ২০, ২০২৩ ৯:৪০ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক: মুল্লুক চলো আন্দোলনের ১০২ তম বছর স্মরণে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশন এর সমাবেশ থেকে ২০ মে কে “ চা শ্রমিক অধিকার দিবস” হিসাবে রাষ্ট্রীয় ঘোষণা এবং চা শ্রমিকদের সবেতন ছুটি, দৈনিক মজুরি ৬০০ টাকা করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশন।

৭ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে ১৯ মে (শুক্রবার) সকাল ১০টায় পুরানা পল্টন মোড়ে চা শ্রমিক সমাবেশ ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর ডাকযোগে স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসুচী অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বিপ্লব মাদ্রাজি পাশি’র সভাপতিত্বে এবং উপদেষ্টা অ্যাড. আবুল হাসান এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত চা শ্রমিক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন, জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশের সভাপতি সাইফুজ্জামান বাদশা, বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক
ফেডারেশনের সভাপতি ও স্কপের যুগ্ম সমন্বয়ক শামীম আরা, সমগীত সাংস্কৃতিক সংগঠনের আহবায়ক অমল আকাশ, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশনের উপদেষ্টা আবু জাফর, উপদেষ্টা অ্যাড. মঈনুর রহমান মগনু, অ্যাড.জুনায়েদ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক দীপাঙ্কর ঘোষ, সহসভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য কাজল রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক কিরণ শুক্লা বৈদ্য প্রমুখ।

সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বরাবর প্রেরিত স্মারকলিপির কপি পড়া হয় এবং উপস্থিত চা শ্রমিক প্রতিনিধিদের অনুমতি গ্রহণ করা হয়।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ মজুরী বোর্ড ও মজুরী কাঠামো নির্ধারণ করে মানসম্মত জীবনযাপনের জন্য কমপক্ষে ৬০০ টাকা মজুরী ঘোষণা এবং বর্তমান এরিয়ারের সম্পূর্ণ মজুরি পরিশোধ, চা শ্রমিকদের ভুমির অধিকারের স্বীকৃতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা এবং চা বাগানের জমি ইকোনোমিক জোনসহ অন্য কোনো প্রজেক্টে ব্যবহার না করা, পর্যাপ্ত স্কুল, হাসপাতাল তৈরী করে শিক্ষা চিকিৎসার ব্যবস্থা, বৃদ্ধ বয়সে চলার উপযোগী পেনশনের ব্যবস্থা এবং শ্রম আইনের বিদ্যমান বৈষম্য দুর করা, চা যুবগোষ্ঠীর জন্য কাজের ব্যবস্থা করা জন্য আপনি যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ২০ মে কে চা শ্রমিক অধিকার দিবস হিসাবে রাস্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং সবেতন ছুটি ঘোষণার জোর দাবি জানিয়ে বলেন চা শ্রমিকসহ শ্রমজীবী মানুষদের প্রায় দাসত্বের জীবন থেকে উন্নিত করা ছাড়া এস,ডি,জি কিংবা মধ্য আয়ের দেশ কোনো কিছুই গ্রহণযোগ্য
হবেনা। আর শ্রমিকদের সাথে প্রতারণামূলক পদক্ষেপ বেশি দিন বাধাহীনভাবে চলবে না।

এরিয়ারের বকেয়া সম্পূর্ণ পরিশোধ করা না হলে উদ্ভুত অসন্তোষের দায় বাগান মালিকদের বহন করতে হবে বলে নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন।

শেয়ার করুন