ডেস্ক রিপোর্ট
১২ এপ্রিল ২০২৩, ৬:০১ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক: বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এর প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড খালেকুজ্জামান আজ ১২ এপ্রিল ২০২৩ সংবাদপত্রে দেয়া এক বিবৃতিতে বীর মুক্তিযোদ্ধ ডা. জাফরউল্লাহ চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
বিৃৃতিতে কমরেড খালেকুজ্জামান বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় লন্ডনের রয়াল কলেজ ও সার্জনসে এফআরসি ডিগ্রিতে পড়াকালীন সময়ে চূড়ান্ত পর্ব শেষ না করে দেশে ফিরে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। নিজে একজন চিকিৎসক হওয়ায় তিনি সহযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে রণাঙ্গনে বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে মুক্তিযুদ্ধে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন। ডা. জাফরুল্লাহ ছিলেন একই সাথে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশি চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, সমাজসেবক ও রাজনৈতিক স্পষ্টভাষী ও সময়ের সাহসী সন্তান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার কন্ঠ, স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসীবাদ বিরোধী সংগ্রামের অকোতভয় সৈনিক, জনদরদী, দেশপ্রেমিক এমনকি বাংলাদেশের জাতীয় ঔষধ নীতির প্রধান প্রণেতা।
বিবৃতিতে খালেকুজ্জামান বলেন, তার মৃত্যুতে জাতি একজন দেশপ্রেমিককে হারালো। তার মৃত্যুতে দেশের সংকটে বিবেকের প্রতিধ্বনি করার মানুষের শুন্যতা সৃষ্টি হলো ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মৃত্যুতে বাসদের শোক
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড বজলুর রশীদ ফিরোজ আজ ১২ এপ্রিল ২০২৩ সংবাদপত্রে দেয়া এক বিবৃতিতে বীর মুক্তিযোদ্ধ ডা. জাফরউল্লাহ চৌধুরীর প্রয়ানে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে কমরেড ফিরোজ বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সময়ের সাহসী সন্তান স্পষ্টভাষী, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার কন্ঠ, স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসীবাদ বিরোধী সংগ্রামের অকোতভয় সৈনিক, জনদরদী ও দেশপ্রেমিক।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ’৭১ সালে চিকিৎসা শাস্ত্রে উচ্চতর পড়াশুনার জন্য ডা. জাফরউল্লাহ বিলেতে অবস্থান করছিলেন। পরাধীনতার শৃংখল থেকে দেশ মাতৃকার স্বাধীনতা ডাকে তিনি ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার ছেড়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। রণাঙ্গনে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য ফিল্ড হাসপাতাল তৈরী করেছিলেন। স্বাধীনতার পর যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠনের কাজে মনোনিবেশ করেন। গড়ে তোলেন সর্বজনের চিকিৎসা ও সাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গড়ে তোলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতাল। তিনি আমৃত্যু অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার ছিলেন। জীবন সায়াহ্নেও তিনি দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় ফ্যসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে কার্যকর আন্দোলন গড়ে তুলতে রাজপথে ছিলেন।
বিবৃতিতে কমরেড ফিরোজ বলেন, ডা. জাফরউল্লার মৃত্যুতে দেশ এক মানব দরদী দেশপ্রেমিকে হারালো। আর অধিকার বঞ্চিত মানুষ হারালো তাদের অকৃত্রিম বন্ধুকে। বিবৃতিতে কমরেড ফিরোজ মরহুমের পরিবারের সদস্য, স্বজন, সহকর্মী, শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। লাল সালাম ডা. জাফরউল্লা চৌধুরী।