ডেস্ক রিপোর্ট
১১ অক্টোবর ২০২২, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক:: তুলনামূলক পরিণত, প্রতিষ্ঠিত ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারে গড়া চট্টগ্রামের বিপক্ষে সাগরিকায় মোটামুটি বড়সড় লিড পেয়েছে সিলেট বিভাগের তরুণরা।
তিন তরুণ ব্যাটার তৌফিক খান, অমিত হাসান ও অধিনায়ক জাকির হাসানের চওড়া ব্যাটের ওপর ভর করে আজ মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিন তামিম ইকবাল, পিনাক ঘোষ, সৈকত আলী, পারভেজ হোসেন ইমন, ইরফান শুকুরদের বিপক্ষে ১৬২ রানে এগিয়ে গেছে জাকির হাসানের সিলেট।
প্রথম ইনিংসে তামিমদের ১৪১ রানে থামিয়ে আজ মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিন শেষে সিলেটের স্কোর ৭ উইকেটে ৩০৩। এতদূর আসার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান অধিনায়ক জাকির হাসান আর মিডল অর্ডার অমিত হাসানের। তারা দু’জন তৃতীয় উইকেটে ১৫৪ রানের বিশাল পার্টনারশিপ গড়ে সিলেটকে আড়াইশো পার করে দেন।
আগের দিন ১১ রানে নটআউট থাকা ওপেনার তৌফিক খান একদিনের মেজাজে দুই ঘণ্টা ৯ মিনিটে মাত্র ৮৩ বলে চারটি ছক্কা ও ৭ বাউন্ডারিতে ৬৮ রানে আউট হবার পর অমিত হাসান আর জাকির হাসান ধীরে ধীরে উইকেটে সেট হন এবং বড় জুটি গড়ে তোলেন।
এর মধ্যে অমিত হাসান ধীর গতিতে প্রায় পৌনে ৫ ঘণ্টা (২৮৪ মিনিট) উইকেটে থেকে ২০৫ বলে চার বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় করেন ৭৯। আর অধিনায়ক জাকির হাসানের ব্যাট থেকে আসে চার ঘন্টায় ১৬১ বলে ৮৭ (সাত বাউন্ডারি ও এক ছক্কায়)।
চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে হাসান মুরাদ ছাড়া আর কেউ সুবিধা করতে পারেননি। বাঁ-হাতি স্পিনার হাসান মুরাদ ১১২ রানে দখল করেন ৫ উইকেট।
চট্টগ্রাম প্রথম ইনিংস: ১৪১/১০, ৮০.১ ওভার (সাব্বির হোসেন ১৬, তামিম ইকবাল ৩১, পিনাক ঘোষ ১১, সৈকত আলী ১০, পারভেজ হোসেন ইমন ১৫, ইরফান শুকুর ৯, ইফতেখার সাজ্জাদ ৪, হাসান মুরাদ ১৪, ইয়াসিন আরাফাত ১১, আহমেদ শরীফ ৫ নটআউট, নাইম আহমেদ ৩/২৮, নাবিল সামাদ ৫/৪৭, তানজিম সাকিব ১/২৩)।
সিলেট প্রথম ইনিংস: ৩০৩/৭, ৯৫ ওভার (ইমতিয়াজ হোসেন তান্না ১৯, তৌফিক খান ৬৮, অমিত হাসান ৭৯, জাকির হাসান ৮৭, আসাদুল্লাহ গালিব ১৭, আবু বাকের নটআউট ১৩, আবু জাইদ নটআউট ০; হাসান মুরাদ ৫/১১২, সৈকত আলী ১/০, ইফতেখার সাজ্জাদ ১/৯৩)।