ডেস্ক রিপোর্ট

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ৯:২২ অপরাহ্ণ

স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র প্রতিরোধ দিবসে ছাত্র ফ্রন্টের সমাবেশ

আপডেট টাইম : ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২ ৯:২২ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক:: অতীত সংগ্রামের ইতিহাসকে ভুলিয়ে দিয়েই বর্তমান স্বৈরাচার স্বস্তিতে থাকতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ। স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র প্রতিরোধ দিবসে আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্র সমাবেশে নেতৃবৃন্দ এই মন্তব্য করেন।

বিকাল ৪ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেছেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ ও সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুহাইল আহমেদ শুভ।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শোভন রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটি’র অর্থ সম্পাদক সুলতানা আক্তার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি রাজীব কান্তি রায়, কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সুস্মিতা মরিয়ম এবং ঢাকা নগর শাখার সভাপতি অনিক কুমার দাস।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণের অতীত সংগ্রামের ইতিহাসকে ভুলিয়ে দিয়েই বর্তমান স্বৈরাচার স্বস্তিতে থাকতে চায়। ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি যেই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে শহীদ জয়নাল, আয়ুব, মোজাম্মেল, দিপালী সাহা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছিল, আজও গণতান্ত্রিক লেবাসে স্বৈরাচারী সরকার ভিন্ন মোড়কে একই শিক্ষানীতিতেই শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালনা করছে। হেফজতের সাথে হাত মিলিয়ে সাম্প্রদায়িকতার বিষ বাষ্প পাঠ্যপুস্তকে ঢোকানো হয়েছে। শিক্ষার ব্যয় ক্রমাগত বাড়ছে, কমছে বাজেটে বরাদ্দ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কায়েম হয়েছে চুড়ান্ত প্রশাসনিক স্বৈরতন্ত্র।

সভাপতির বক্তব্যে মুক্তা বাড়ৈ বলেন, সর্বজনীন বিজ্ঞানভিত্তিক বৈষম্যহীন সেক্যুলার শিক্ষার যে আন্দোলনের সূচনা সেদিন শুরু হয়েছিল, সেই লড়াই আজও অব্যাহত রয়েছে। সামরিক স্বৈরাচারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে বেসামরিক একদলীয় স্বৈরাচারী ব্যবস্থা। শাসকগোষ্ঠী শিক্ষার ওপর একের পর এক সাম্প্রদায়িক বাণিজ্যিক আক্রমণ নামিয়ে আনছে। তাই আজও ছাত্র সমাজকে তার ঐতিহাসিক দায় পালন করতে হবে। ভোগবাদী সংস্কৃতির বিপরীতে দাঁড়িয়ে নিজেদের অধিকার আদায়ের মিছিলে শামিল হতে হবে।

সমাবেশ শেষে একটি মিছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, ডাকসু ক্যাফেটেরিয়া, কলাভবন ঘরে টিএসসিতে গিয়ে শেষ হয়।

শেয়ার করুন