ডেস্ক রিপোর্ট
৭ জানুয়ারি ২০২২, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক:: ভোটের অধিকার হরন করে জবরদস্তি করে ক্ষমতায় থাকতে যেয়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পরাজয় ঘটেছে; সরকার পুরোপুরি আমলা ও প্রশাসননির্ভর হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
তিনি আজ শুক্রবার সকালে সেগুনবাগিচায় সংহতি মিলনায়তনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির দুই দিনব্যাপী সভার প্রথম অধিবেশনে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য বিসর্জন দিয়ে আওয়ামী লীগ স্বৈরতান্ত্রিক চরিত্র গ্রহণ করেছে। জনগণের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তি ছাড়া কোন উন্নয়নই টেকসই হবেনা।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, সরকার পরিচালনায় সরকারের রাজনৈতিক ও নৈতিক জোর না থাকায় দেশে সামাজিক নৈরাজ্য ক্রমে প্রবল হয়ে উঠছে। দেশ পরিচালনায় জনম্যান্ডেট না থাকায় সরকার এখন পুরোপুরি আমলা ও প্রশাসননির্ভর হয়ে পড়েছে। মানুষের ভোটের গণতান্ত্রিক অধিকার হরন করে জবরদস্তি করে ক্ষমতায় থাকতে যেয়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পরাজয় ঘটেছে, বলপূর্বক ক্ষমতায় থাকতে যেয়ে আওয়ামী লীগকে তার অবশিষ্ট গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যকে বিসর্জন দিতে হচ্ছে; তাকে ক্রমান্বয়ে স্বৈরতান্ত্রিক চরিত্র নিতে হচ্ছে। প্রতিনিয়ত গুরুতর মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা ঘটাতে হচ্ছে। বহিরবিশ্বও এখন এসব ঘটনায় দেশের জন্য লজ্জাকর প্রতিক্রিয়া বাক্ত করেছে।
এই পরিস্থিতি গোটা দেশ ও দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎকে গভীর অনিশ্চয়তা ও বিপদের মধ্যে নিক্ষেপ করেছে।
তিনি বলেন জনগণের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তি ছাড়া কোন উন্নয়নই শেষ পর্যন্ত টেকসই হবে না।অধিকার ও আত্মমর্যাদা না থাকলে কেবল উন্নয়নের কথা বলে শেষ রক্ষা করা যাবে না।
তিনি বিদ্যমান কর্তৃত্ববাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সকল গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও দেশপ্রেমিক শক্তির রাজপথে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার আহবান জানান।
পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আনছার আলী দুলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা আকবর খান, শহীদুল আলম নান্নু, সজীব সরকার রতন, এপোলো জামালী, সিকদার হারুন মাহমুদ,ফিরোজ আহমেদ, আনোয়ার আহমদ অনু সাইফুল ইসলাম, মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক , জসিমউদ্দিন রাঢ়ী, কামরুজ্জামান ফিরোজ আবু লাহাব লাইসুদ্দিন প্রমুখ।
সভায় নিয়ে দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আন্দোলনের করনীয় এবং পার্টির সাংগঠনিক বিষয়াদি নিয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।
সভার শুরুতে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।