ডেস্ক রিপোর্ট

১১ নভেম্বর ২০২১, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ

লক্ষ্মীপুরে মেম্বার প্রার্থীর বাড়িতে ঢুকে হামলা, গর্ভবতীসহ আহত ৬

আপডেট টাইম : নভেম্বর ১১, ২০২১ ৩:৫৬ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:: লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের চরকাদিরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী শামছুল হুদার (ফুটবল) বাড়িতে ঢুকে পুলিশের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে আলি আহম্মদ হাফিজিয়া জামে মসজিদসংলগ্ন ফোরকানিয়া মাদরাসাকেন্দ্রে দক্ষিণ পাশের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই সিরাজুল ইসলাম তার সদস্যদের নিয়ে প্রার্থী শামছুল হুদার বাড়িতে ধাওয়া করে। এ সময় লাথি দিয়ে চেয়ারসহ হনুফা বেগম নামে এক গর্ভবতী নারীকে তিনি লাথি মেরে ফেলে দেন। রান্নাঘরে থাকা গৃহবধূ বিলকিছ বেগমকে লাঠির আঘাতসহ ধাক্কা দেওয়া হয়।

এতে প্রতিবাদ করায় বিলকিছের শাশুড়ি বিবি আয়েশাকে লাঠিপেটা করা হয়। এ সময় ৩ বছরের শিশু সামিয়া আক্তারকে লাথি মেরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির ভেতরে থাকা যুবক নুর নবী ও মহিন উদ্দিনকেও মারধর করা হয়। বাড়ির উঠানে থাকা প্লাস্টিকের চেয়ার ক্ষেতের পানিতে ফেলে দেয় পুলিশ।

আহত গর্ভবতী নারী হনুফা বেগম বলেন, ‘আমি বাড়িতে চেয়ারে বসা ছিলাম। পুলিশের দারোগা এসে চেয়ারে লাথি মেরে আমাকে মাটিতে ফেলে দেয়। আমি কোমরে ব্যথা পেয়েছি।’

বিলকিছ বেগম বলেন, ‘আমি ভাত রান্না করতাছি। এ সময় পুলিশ এসে আমাকে ধাক্কা দিয়ে বের হয়ে যেতে বলে। কেন যাব বলতেই হাতের লাঠি দিয়ে আমাকে পিটিয়েছে পুলিশ।’

ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী শামছুল হুদা বলেন, ‘এসআই সিরাজ আমার বাড়িরে ঢুকে হামলা চালিয়েছে। আমার ভাতের পাতিল ফেলে দিয়েছে। এ সময় মারধরে গর্ভবতী নারীসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তালা প্রতীকের প্রার্থী জয়নাল আবেদীন মাঝির পক্ষে পুলিশ কাজ করেছে।’

অভিযোগ অস্বীকার করে জয়নাল আবেদীন মাঝি বলেন, ‘তিনজন নারী জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করলে প্রশাসন তাদের আটক করে। পরে সতর্ক করে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশ কাউকে মারধরও করেনি। কারো বাড়িতেও ঢুকেনি।’

কমলনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সিরাজুল ইসলাম বলেন, সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের কাজ চলছে। মেম্বার প্রার্থীদের কিছু লোক কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকতে চেয়েছে। আমি দিইনি। বাড়িতে ঢুকে হামলা ও মারধরের ঘটনা সত্য নয়। সুবিধা নিতে না পারায় আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

শেয়ার করুন