ডেস্ক রিপোর্ট
১১ জুলাই ২০২১, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক:: ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই সমালোচনা সঙ্গী। প্রত্যাশার সঙ্গে যে প্রাপ্তির মেলবন্ধন ঘটছিল না। নাজমুল হোসেন শান্তকে তাই অনেক কথাই শুনতে হয়েছে।
মাস দুয়েক আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাল্লেকেলেতে ১৬৩ রানের ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখ অনেকটাই বন্ধ করে দিয়েছিলেন শান্ত। কিন্তু এমন এক ইনিংস খেলার পর তার ক্যারিয়ারটা তো ঘুরে যাওয়ার কথা ছিল। সেটা হয়নি।
লঙ্কানদের বিপক্ষে পরের দুই ইনিংসেই টানা দুই শূন্য। তারপর শ্রীলঙ্কা সফরের শেষে ২৬ রানের ইনিংস খেলে জিম্বাবুয়েতে এসে হারারে টেস্টে ফের ২ রানে আউট শান্ত। সমালোচনা তো হওয়ারই কথা!
তবে এসব সমালোচনা আর অতীত মনে রাখতে চান না শান্ত। হারারেতে প্রথম ইনিংসে ব্যর্থতার পর দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নেমে হার না মানা ১১৭ রানের ইনিংস খেলে দিয়েছেন। দলকে পৌঁছে দিয়েছেন শক্ত অবস্থানে।
আগের চার ইনিংসে ব্যর্থতার পর এভাবে কামব্যাক, কীভাবে দেখছেন? শান্ত বলেন, ‘আমি সবসময় বর্তমানে থাকার চেষ্টা করি। আগের চার ইনিংস খারাপ হয়েছে, ক্রিকেট খেলায় এমন হতেই পারে। কিন্তু অবশ্যই আমার চেষ্টা থাকে ধারাবাহিকভাবে রান করার।’
বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান যোগ করেন, ‘অতীত নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করি না। আজকের ব্যাটিং নিয়েই চিন্তা করেছি। আজকের পরিস্থিতিই এমন ছিল যে দ্রুত খেলতে পারলে জেতার জন্য সময় বেশি পাব। এজন্যই পরিকল্পনাই ছিল পজিটিভ ব্যাটিং করার।’
সাদমানের সঙ্গে ১৯৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি। দুজনই পেয়েছেন সেঞ্চুরি। কিন্তু শান্ত জানালেন, দুজনের মধ্যে কারোর মাথায়ই সেঞ্চুরি করার চিন্তা ছিল না।
শান্ত বলেন, ‘ব্যাটিংয়ে দুইজন দুইজনকে সহায়তা করছিলাম, কীভাবে খেলা উচিৎ বা কীভাবে আগাবো। এটা আমাদের জন্য ইতিবাচক ছিল। একশ নিয়ে কেউই চিন্তা করিনি। পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করেছি। মূল মনোযোগ ছিল বল বাই বল খেলার, দিনশেষে দুইজনই বড় স্কোর পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ। আগে থেকে কোনো পরিকল্পনা ছিল না যে অনিক ভাই (সাদমান) একশ করেছে তাই আমারও করতে হবে। এমন কোনো কিছুই ছিল না। আমরা শুধু বল দেখেছি আর খেলেছি।’
শেষ দিনে জিম্বাবুয়ের দরকার ৩৩৭ রান, বাংলাদেশের ৭ উইকেট। এখান থেকে জয় তুলে নেয়া সম্ভব? শান্তর কথা, ‘আলহামদুলিল্লাহ এখনও আমরা ভালো অবস্থানে আছি। তবে এখনও অনেক কাজ করার বাকি আছে। উইকেট এখনও ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো। তাই বোলার ও ফিল্ডারদের অনেক পরিশ্রম করতে হবে। কাল শুরুতেই ২-৩টি উইকেট তুলে নিলে সহজ হবে। তবে আমার কাছে মনে হয় পুরো দিনটাই আমাদের অনেক কষ্ট করতে হবে।’
বাংলাদেশ-ক্রিকেট নাজমুল-হোসেন-শান্ততে ১৬৩ রানের ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখ অনেকটাই বন্ধ করে দিয়েছিলেন শান্ত। কিন্তু এমন এক ইনিংস খেলার পর তার ক্যারিয়ারটা তো ঘুরে যাওয়ার কথা ছিল। সেটা হয়নি।
লঙ্কানদের বিপক্ষে পরের দুই ইনিংসেই টানা দুই শূন্য। তারপর শ্রীলঙ্কা সফরের শেষে ২৬ রানের ইনিংস খেলে জিম্বাবুয়েতে এসে হারারে টেস্টে ফের ২ রানে আউট শান্ত। সমালোচনা তো হওয়ারই কথা!
তবে এসব সমালোচনা আর অতীত মনে রাখতে চান না শান্ত। হারারেতে প্রথম ইনিংসে ব্যর্থতার পর দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নেমে হার না মানা ১১৭ রানের ইনিংস খেলে দিয়েছেন। দলকে পৌঁছে দিয়েছেন শক্ত অবস্থানে।
আগের চার ইনিংসে ব্যর্থতার পর এভাবে কামব্যাক, কীভাবে দেখছেন? শান্ত বলেন, ‘আমি সবসময় বর্তমানে থাকার চেষ্টা করি। আগের চার ইনিংস খারাপ হয়েছে, ক্রিকেট খেলায় এমন হতেই পারে। কিন্তু অবশ্যই আমার চেষ্টা থাকে ধারাবাহিকভাবে রান করার।’
বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান যোগ করেন, ‘অতীত নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করি না। আজকের ব্যাটিং নিয়েই চিন্তা করেছি। আজকের পরিস্থিতিই এমন ছিল যে দ্রুত খেলতে পারলে জেতার জন্য সময় বেশি পাব। এজন্যই পরিকল্পনাই ছিল পজিটিভ ব্যাটিং করার।’
সাদমানের সঙ্গে ১৯৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি। দুজনই পেয়েছেন সেঞ্চুরি। কিন্তু শান্ত জানালেন, দুজনের মধ্যে কারোর মাথায়ই সেঞ্চুরি করার চিন্তা ছিল না।
শান্ত বলেন, ‘ব্যাটিংয়ে দুইজন দুইজনকে সহায়তা করছিলাম, কীভাবে খেলা উচিৎ বা কীভাবে আগাবো। এটা আমাদের জন্য ইতিবাচক ছিল। একশ নিয়ে কেউই চিন্তা করিনি। পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করেছি। মূল মনোযোগ ছিল বল বাই বল খেলার, দিনশেষে দুইজনই বড় স্কোর পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ। আগে থেকে কোনো পরিকল্পনা ছিল না যে অনিক ভাই (সাদমান) একশ করেছে তাই আমারও করতে হবে। এমন কোনো কিছুই ছিল না। আমরা শুধু বল দেখেছি আর খেলেছি।’
শেষ দিনে জিম্বাবুয়ের দরকার ৩৩৭ রান, বাংলাদেশের ৭ উইকেট। এখান থেকে জয় তুলে নেয়া সম্ভব? শান্তর কথা, ‘আলহামদুলিল্লাহ এখনও আমরা ভালো অবস্থানে আছি। তবে এখনও অনেক কাজ করার বাকি আছে। উইকেট এখনও ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো। তাই বোলার ও ফিল্ডারদের অনেক পরিশ্রম করতে হবে। কাল শুরুতেই ২-৩টি উইকেট তুলে নিলে সহজ হবে। তবে আমার কাছে মনে হয় পুরো দিনটাই আমাদের অনেক কষ্ট করতে হবে।’