ডেস্ক রিপোর্ট

৩১ মে ২০২১, ৩:৩২ অপরাহ্ণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আরও ৭ দিন চলবে বিশেষ লকডাউন

আপডেট টাইম : মে ৩১, ২০২১ ৩:৩২ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক:: করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলমান বিশেষ লকডাউন আরও সাত দিন বাড়ানো হয়েছে।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক মো. মঞ্জুরুল হাফিজ এই ঘোষণা দেন।

এর আগে করোনা পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক হওয়ায় গত ২৪ মে জেলাব্যাপী সাত দিনের লকডাউনের ঘোষণা দেন জেলা প্রশাসক। ওই লকডাউনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সোমবার আবার নতুন করে লকডাউনের ঘোষণা এলো।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, লকডাউন চলাকালে সকল প্রকার যানবাহন বন্ধ থাকবে। তবে রোগী পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স, জরুরি পণ্যবাহী ট্রাক ও জরুরি সেবা দানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

লকডাউন চলাকালীন কোনও প্রকার যানবাহন রাজশাহী-নওগাঁ থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রবেশ করতে পারবে না এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকেও কোনও যানবাহন জেলার বাইরে যাবে না। সকল ধরনের দোকানপাট ও সাপ্তাহিক হাট বন্ধ থাকবে।

কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি দোকান ও ফার্মেসি খোলা থাকবে। তবে প্রয়োজন ছাড়া কেউ এসব স্থানে যেতে পারবে না। আমের আড়ৎ বা বাজার পৃথক পৃথক জায়গায় ছড়িয়ে আড়ৎদারের মাধ্যমে বিক্রি করা যাবে। এছাড়াও বাগান থেকে আম ট্রাকে করে পাঠানো যাবে। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আম পরিবহন চালু থাকবে। উপজেলা প্রশাসন এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী সকলকে মাস্ক পরতে হবে। শিল্প-কারখানায় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিজস্ব পরিবহনে আনা নেয়া ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

আইনশৃঙ্খলা ও জরুরি পরিষেবা যেমন কৃষি উপকরণ সার বীজ কীটনাশক কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি খাদ্যশস্য ও খাদ্য দ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা প্রদান বিদ্যুৎ, পানি ,ফায়ার সার্ভিস, স্থলবন্দরের কার্যক্রম টেলিফোন, ইন্টারনেট, সরকারি-বেসরকারি গণমাধ্যমকর্মীদের সরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ডাকসেবা সহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস সমূহ তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞা আওতা বহির্ভূত থাকবে।

লকডাউনের এই সময়ে টিকা কার্ড দেখানো সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে। খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় কেবল খাদ্য বিক্রি বা সরবরাহ করা যাবে।

স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে জুম্মার নামাজ সহ প্রতি ওয়াক্তে নামাজ এর সর্বোচ্চ ২০জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করতে পারবে। অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে সমসংখ্যক ব্যক্তি উপাসনা করতে পারবে।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এ এইচ এম আব্দুর রকিব, সিভিল সার্জন ডাক্তার জাহিদ নজরুল চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাকিউল ইসলাম, সদর হাসপাতালের আর.এম.ও ডাক্তার জাহাঙ্গীর কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

শেয়ার করুন